1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

গ্লোবাল মিডিয়া ফোরাম

শুরু হলো গ্লোবাল মিডিয়া ফোরাম

বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গণমাধ্যমের ভুমিকা অনস্বীকার্য– এ বাস্তবতা তুলে ধরে শুরু হলো দশম ডয়চে ভেলে গ্লোবাল মিডিয়া ফোরাম৷ গণমাধ্যমের প্রযুক্তিনির্ভরতাকে ব্যবসাসফল ও কল্যাণমুখী করার তাগিদ দিলেন উদ্বোধনী পর্বের বক্তারা৷

গ্লোবাল মিডিয়া ফোরামের এবারের স্লোগান অভিন্নতা ও বৈচিত্র্য৷ প্রতিবারের মতো গণমাধ্যম, অ্যাকাডেমিয়া, রাজনীতি, এবং উন্নয়ন সহযোগীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই কনফারেন্স৷ ১৩০টি দেশের ৬৫০ জন সাংবাদিক ৭৫০টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২,০০০ প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন এবারের কনফারেন্সে৷ এবারের কনফারেন্সে গুরুত্ব পাচ্ছে ব্রেক্সিট, ট্রাম্পের বিজয় ও জেনোফোবিয়াসহ জাতীয়বাদের ধারণা, ভুয়া সংবাদের প্রভাব এবং সাংবাদিকতায় প্রযুক্তির ব্যবহার বিষয়গুলো

ডয়চে ভেলের মহাপরিচালক পেটার লিমবুর্গ

ডয়চে ভেলের মহাপরিচালক পেটার লিমবুর্গ

উদ্বোধনী পর্বে বক্তারা বাক স্বাধীনতা, বৈশ্বিক সমস্যা সমাধানে গণমাধ্যমের ভূমিকা, গণমাধ্যমে ডিজিটাল প্রযুক্তির বিকাশের প্রয়োজনীয়তা ও এর ক্ষতিকর দিক নিয়ে কথা বলেন৷ তাঁরা বলেন, গণমাধ্যম এখন নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি৷ একেই দিন দিন বাক মাধ্যমের ওপর আঘাত বাড়ছে, তারওপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিকাশের কারণে সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতা ঝুঁকিতে পড়ছে৷

ডয়চে ভেলের মহাপরিচালক পেটার লিমবুর্গ স্বাগত বক্তব্যে বলেন, ‘‘রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম শুধু মানবাধিকার ইস্যুতেই পক্ষ নিতে পারে, অন্য কোনো বিষয়ে নয়৷'' যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ সব রাষ্ট্রপ্রধানের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘‘গণমাধ্যম আপনাদের শত্রু নয়, বরং এটিকে অনেকেই নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে৷ ''

বন শহরের মেয়র অশোক শ্রীধরণ বলেছেন, ‘‘যতই বাধা আসুক সাংবাদিকরা চুপ থাকবে না৷''

জার্মানির অর্থনীতি ও জ্বালানি বিষয়ক ফেডারেল মিনিস্টার ব্রিগিটে স্যুপ্রিস প্রযুক্তিকে আরো সহজলভ্য ও ভবিষ্যতের জন্য উন্নতি করতে তার সরকারের নানা উদ্যোগের কথা জানান৷ একইসঙ্গে ভুয়া সংবাদের বিস্তার ঠেকাতে আরো কার্যকর কিছু করার আগ্রহের কথা জানান৷

Musical Interlude: Identity and Diversity, Beethovenfest Bonn, Germany

তিনদিনের এই কনফারেন্স শেষ হবে বুধবার

তিনি বলেন, ‘‘ভিন্নমত থাকবেই৷ বিতর্কও করতে হবে৷ কিন্তু ইদানিীং ইন্টারনেটে কিছু কিছু বিতর্ক উদ্বেগের জন্ম দিচ্ছে৷ কারণ তাদের ভীত নেই৷'' তিনি মনে করেন, জনগণের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে, বিশেষ করে নির্বাচনের সময়, ফেসবুক, টুইটারসহ সামাজিক মাধ্যমগুলো ভূমিকা রাখে৷ সেক্ষেত্রে প্রোপাগান্ডা বা ভুয়া সংবাদ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে বিশেষ কিছু করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি৷

তিনদিনব্যাপী এই কনফারেন্স শেষ হবে বুধবার৷ মোট ৪০টি ইভেন্টে বৈশ্বিক নানা বিষয়ে গণমাধ্যমের ভুমিকা, সাংবাদিকতার উন্নয়ন, ডিজিটাল প্রযুক্তির বিশ্বে গণমাধ্যমের নানা ধারা ইত্যাদি বিষয়ে
 বিভিন্ন দেশ থেকে আসা প্যানেলিস্টরা আলোচনা করবেন৷ শব্দ, শিল্প ও হাস্যরসও এবারের আয়োজনে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে৷ এছাড়া থাকছে এসব বিষয়ে চলচ্চিত্র প্রদর্শন৷

জেডএ/এসবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন