1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

শুরু হচ্ছে বিশ্বখ্যাত ফ্রাংকফুর্ট বইমেলা

বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বইমেলা৷ বইমেলা ছাড়াও, বিশ্বের স্বনামধন্য লেখকরা তিন দিন ধরে আলোচনা চালিয়ে ‘‘রাজনীতিকদের জন্য উপহার’’ নামের একটি ইস্তাহার পেশ করবেন৷ উদ্যোগটির নাম: ‘‘ফ্রাংকফুর্ট আন্ডারকভার’’৷

ফ্রাংকফুর্ট বইমেলার পরিচালক ইয়ুর্গেন বোস-এর মতে এই উদ্যোগ লেখকদের ‘‘নিজেদের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতার'' প্রতিফলন৷ এনএসএ কেলেঙ্কারিই হোক, আর আন্তঃ-অতলান্তিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, কিংবা প্রকাশক এবং অ্যামাজন অনলাইন সংস্থার মধ্যে বিরোধই হোক – লেখকরা সেই জগতের অঙ্গ এবং সেই জগত সম্পর্কে তাদের মতামত আছে৷ ‘‘এই তিনদিন যাবার পর আমরা একটি গভীরভাবে রাজনৈতিক বিবৃতি আশা করতে পারি,'' বলেছেন বোস৷

নিজেদের পারিশ্রমিক কিংবা রয়াল্টি নিয়ে লেখকরা মাথা ঘামাবেন না, বলেই বোস-এর ধারণা: ‘‘আমি সামাজিক ও রাজনৈতিক সংশ্লেষ যুক্ত (একটি বিবৃতি) আশা করছি৷'' লেখকদের আলাপ-আলোচনা চলবে নিভৃতে, পাঠক জনতা এবং প্রকাশক মহল থেকে অনেক দূরে৷ কাজেই এই আলাপ-আলোচনার এক উদ্যোক্তা, ডেনমার্কের লেখিকা ইয়ানে টেলার আশা করছেন যে, লেখকরা মুক্তভাবে কথা বলবেন এবং ‘ফিল্টার ছাড়াই' নানা ধরনের নতুন আইডিয়া দেবেন৷ নয়তো দুনিয়াটা রাজনৈতিক বিচারে ‘‘আটকে গেছে'', বলে তাঁর ধারণা৷

সর্বাধুনিক ফ্রাংকফুর্ট বইমেলাও চলবে যথারীতি পাঁচদিন ধরে – ৮ থেকে ১২ই অক্টোবর পর্যন্ত৷ উদ্বোধন অনুষ্ঠান মঙ্গলবার ৭ই অক্টোবর৷ আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন লেখকদের মধ্যে থাকবেন ব্রাজিলের পাওলো কোয়েলহো, নোবেল পুরস্কার বিজয়িনী হ্যার্টা ম্যুলার এবং ব্রিটেনের জনপ্রিয় লেখক কেন ফলেট, যাঁর নতুন নভেল, ‘‘এজ অফ ইটার্নিটি'', এখন সারা বিশ্বে বেস্টসেলার লিস্টের শীর্ষে৷

ফ্রাংকফুর্ট বইমেলায় আরেকটি পরিসংখ্যান এ বছর বদলে যাচ্ছে: সাধারণত এই বইমেলায় জার্মান প্রকাশক এবং আন্তর্জাতিক প্রকাশকদের অনুপাত মোটামুটি একই থাকে: এ বছর কিন্তু সেই ভাগ হল ৩৫-৬৫, অর্থাৎ দুই-তৃতীয়াংশ প্রদর্শকই অ-জার্মান৷ এই অ-জার্মান প্রদর্শকরা আসছেন প্রায় ১০০টি দেশ থেকে, যাদের মধ্যে সিরিয়া, ইউক্রেন ও আফগানিস্তানের প্রকাশকরাও আছেন৷ এ বছরের ‘গেস্ট অফ অনার' বা সহযোগী দেশ ফিনল্যান্ড৷

গতবছরের তুলনায় এশিয়া থেকে আগত প্রদর্শকদের সংখ্যা বেড়েছে পাঁচ শতাংশ৷ বিশ্বের অন্যান্য অংশের প্রকাশকদেরও ইন্দোনেশিয়ার মতো সুবৃহৎ, তরুণ, শিক্ষায় আগ্রহী পাঠক জনতাদের দিকে নজর – আন্তঃ-এশিয়া বইবাণিজ্যও যার মধ্যে পড়ে এবং যা থেকে নতুন করে ফ্রাংকফুর্ট বইমেলার বিশ্বায়িত বৈশিষ্ট্য প্রমাণ হয়৷

পঞ্চদশ শতাব্দীতে নাকি যে বইমেলার সূচনা, তা আজও কাহিনি ও কথকতার প্রথাগত তথা ভবিষ্যৎ, সাইফাই এবং হাইটেক সংস্করণ নিয়ে ব্যস্ত৷ ই-বুক এবং সেল্ফ-পাবলিশিং-ও ফ্রাংকফুর্টে অবহেলিত হবে না৷ খোদ হ্যারি পটারের স্রষ্টা জেকে রোলিং যাতে সংশ্লিষ্ট, সেই হ্যাচেট পাবলিশিং কনগ্লোমারেটের সঙ্গে অ্যামাজনের ই-বুক প্রাইসিং নিয়ে বিরোধ তো ফ্রন্ট লাইন নিউজ৷

এসি/এসএস (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়