শুভ জন্মদিন নীল আর্মস্ট্রং | বিশ্ব | DW | 05.08.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

শুভ জন্মদিন নীল আর্মস্ট্রং

চাঁদ নিয়ে বাঙালীর কল্পনা, কবিতা এবং রোম্যান্টিকতার শেষ নেই৷ চাঁদ কখনও আপনার অন্তরঙ্গ বন্ধু, কখনও প্রিয়ার মুখ, আবার কখনও বা শুধুই চাঁদ-মামা৷ কিন্তু একদিন, সেই অধরা চাঁদেই পৌঁছে গেলেন কল্পবিজ্ঞানের এক বাস্তব নায়ক৷

default

চাঁদের মাটিতে মানবজাতির প্রথম পদচিহ্ন এঁকেছিলেন আর্মস্ট্রং

তাঁর নাম নীল আর্মস্ট্রং৷ তাঁর আজ ৮০তম জন্মদিন৷

১৯৬৯ সালের ২০শে জুলাই সত্যি সত্যি চাঁদে গিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন তিনি৷ এখনও মনে আছে, সেদিন শুধু বাঙালীরা নয়, সারা বিশ্ব চোখ রেখেছিল টেলিভিশনের পর্দায়৷ সাদা-কালো ছবিতে দেখেছিল রবোটের মতো ‘স্পেস-স্যুট' পরে কিভাবে মাহাকাশ যান থেকে মই বেয়ে চাঁদের মাটিতে নেমে এসেছিলেন নীল৷ চাঁদের গায়ে কিভাবে রেখেছিলেন মানবজাতির প্রথম পদচিহ্ন৷ বলেছিলেন, ‘‘মানুষের জন্য এটা মাত্র একটা পা ফেলা, কিন্তু, সম্পূর্ণ মানব সভ্যতার জন্য এ এক অভূতপূর্ব পদক্ষেপ৷''

সত্যি, সে যেন এক অবিশ্বাস্য ব্যাপার৷ মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অভিযান৷ ‘অ্যাপেলো ১১' নামের সেই অভিযানে আর্মস্ট্রং-এর সঙ্গে অংশ নেন মাইকেল কলিন্স ও এডউইন অলড্রিন৷ পৃথিবী থেকে প্রায় ২ লক্ষ ৪০ হাজার মাইল দূরে, পৃথিবীরই কক্ষপথ ধরে প্রদক্ষিণ করা চাঁদের মাটিতে ১৩৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় মানুষের রেখে যাওয়া প্রথম চিহ্ন৷ এতে চাঁদ নিয়ে বাঙালীর স্বপ্ন-পর্বের ব্যাঘাত হয়েছিল কিনা - সে কথা হলফ করে বলা না গেলেও, ‘অ্যাপেলো' মিশনের সাফল্যের মধ্য দিয়ে মার্কিন প্রযুক্তির অন্তর্নিহিত শ্রেষ্ঠত্ব যে প্রদর্শিত হয়েছিল - তা বলাই বাহুল্য৷

BdT: Der erste Mann auf dem Mond, Neil Armstrong, wird 75 Jahre

৮০তম জন্মদিনে নীল আর্মস্ট্রং

এরপর অবশ্য ৪০ বছর পার হয়ে গেছে৷ অথচ বিজ্ঞানীদের মতে, নীল আর্মস্ট্রং-এর সেই প্রথম পদচিহ্ন নাকি কয়েক হাজার বছর পরেও দৃশ্যমান থাকবে৷ অর্থাৎ আজ যদি এই ৮০ বছরের বৃদ্ধ আরো একবার চাঁদে যেতে পারতেন, তাহলে হয়ত খুব সহজেই তিনি খুঁজে পেতেন ৪০ বছর আগেকার সেই মুহূর্তটিকে৷ উল্কাপাতের কারণে সৃষ্ট চন্দ্রিমার বিখ্যাত কলঙ্কের মতো দেখতে পেতেন নিজেরই পায়ের ছাপকে৷

এদিকে, চন্দ্র-অভিযানের পর থেকে বিজ্ঞানের সংজ্ঞাটাই যেন বদলে গেছে৷ এসেছে রঙিন টেলিভিশন, মোবাইল টেলিফোন, ইন্টারনেট, জিপিএস৷ ছাড়া হয়েছে স্যাটেলাইট৷ তাই আজ, মহাশূন্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে অসংখ্য কৃত্রিম চাঁদ৷ কিন্তু তারপরেও, চাঁদ নিয়ে রোম্যান্টিকতা যেন এতোটুকু কমেনি৷ অবশ্য বাঙালীর কল্পনায় চাঁদ-মামার পাশাপাশি উজ্জ্বল হয়ে আছেন নীল আর্মস্ট্রং-ও৷

প্রতিবেদন: দেবারতি গুহ

সম্পাদনা: ফাহমিদা সুলতানা

ইন্টারনেট লিংক