1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

শুধু পর্দা নয়, তিন দেয়ালে ছবি!

সিনে-গোয়ারদের প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার অনবদ্য অবদান: সিটে বসেই ২৭০ ডিগ্রির প্যানোরামিক ভিউ৷ একটি সিনেমা চেন-এর তৈরি এই ‘স্ক্রিন এক্স’ স্ক্রিনের পাশের দেয়ালগুলোকেই বাড়তি স্ক্রিন হিসেবে ব্যবহার করে৷

‘সিজে সিজিভি' সিনেমা চেনটি দক্ষিণ কোরিয়ায় সর্ববৃহৎ৷ তারা গত সপ্তাহে পুসান ফিল্ম ফেস্টিভালে তাদের এই নবতম অবদান প্রদর্শন করেছে – এবং শুধু প্রযুক্তি দেখানোই নয়, সেই সঙ্গে ‘‘দ্য এক্স'' শীর্ষক একটি ৩০ মিনিটের স্পাই থ্রিলার দেখিয়েছে৷ সেই স্পাই থ্রিলারের পরিচালক আবার কিম জি-উন, যিনি আর্নল্ড শোয়ারৎসেনেগারের এ বছরের অ্যাকশন ছবি ‘‘দ্য লাস্ট স্ট্যান্ড''-এর পরিচালকও বটে৷ কিম ‘স্ক্রিন এক্স'-কে বলেছেন আইম্যাক্সের সমান্তরাল সংস্করণ৷

অবশ্য স্ক্রিন এক্স-এর জন্য ছবি তোলার ধরনও আলাদা: তিনটি ক্যামেরা দিয়ে বিভিন্ন কোণ থেকে একই দৃশ্য এমনভাবে তুলতে হবে যা-তে সেগুলো পরে জোড়া দিয়ে ঐ ‘সারাউন্ড' এফেক্ট আনা যায়৷ ‘‘দ্য এক্স'' ছবিতে একটি ‘চেজ'-এর দৃশ্য এবং একটি ড্রিম সিকোয়েন্সে ঠিক এই গুণগত বৈশিষ্ট্যটিই ফুটিয়ে তুলেছেন কিম – যেন ছবির অ্যাকশন গোটা সিনেমাটাকে ঘিরে ফেলেছে৷

তবে গোড়াতে দর্শকদের যে কিছু অসুবিধা হয় না, এমন নয়৷ পুসান ফিল্ম ফেস্টিভালে ‘‘দ্য এক্স''-এর দর্শকরা প্রথমে কিছুটা ধন্দে পড়ে গেছিলেন, তারা সামনে তাকাবেন, নাকি ডাইনে কিংবা বাঁয়ে৷ তবে খানিকক্ষণের মধ্যেই তারা স্ক্রিন এক্স-এর ‘সারাউন্ড' এফেক্টে অভ্যস্ত হয়ে যান৷ দৃশ্যত স্ক্রিন এক্স-এর অভিজ্ঞতাটা ঠিক থ্রি-ডি কিংবা ফোর-ডি ফিল্ম দেখার মতো নয়, বরং দর্শক নিজেই যেন ছবির অংশ হয়ে যান, ছবির মধ্যে ঢুকে পড়েন৷

সিজে সিজিভি-র গতিবিধি শুধু দক্ষিণ কোরিয়াতেই সীমাবদ্ধ নয়৷ চীন, হংকং এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থ আছে৷ কোম্পানিটি বিশেষ করে বিজ্ঞাপনে তাদের এই নতুন প্রযুক্তি একাধিকবার ব্যবহার করেছে, কিন্তু সিনেমা হলে এই প্রযুক্তি বসানোর খরচ সম্পর্কে তারা আপাতত কিছু বলতে রাজি নয়৷ ধরা হচ্ছে স্ক্রিন এক্স বসাতে সিনেমা হল প্রতি এক লাখ চল্লিশ হাজার ডলার থেকে এক লাখ পঁচাশি হাজার ডলার অবধি খরচ পড়তে পারে৷

এ মাসের মধ্যেই দক্ষিণ কোরিয়ার ৩১টি সিনেমায় স্ক্রিন এক্স বসানো হয়ে যাবে৷ তারপর শুরু হবে স্ক্রিন এক্স'-এর উপযোগী পূর্ণদৈর্ঘের কাহিনিচিত্র তৈরি, এবং এক বছরের মধ্যেই সে ছবি এই সিনেমা হলগুলিতে মুক্তি পাবে এবং দর্শকরা তা উপভোগ করতে পারবেন৷

এসি/ডিজি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন