1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বাংলাদেশ

শিশুরা মনে রাখ এই নম্বর – ১০৯৮

শিশু নির্যাতন থেমে নেই৷ বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের হিসেবে অক্টোবর মাসে সেপ্টেম্বরের তুলনায় শিশু নির্যাতনের সংখ্যা বেড়েছে৷ দিনাজপুরে পাঁচ বছরের একটি মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনা বেশ আলোচিত হয়েছে৷

এই পরিস্থিতিতে ইউনিসেফ-এর সহায়তায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্প্রতি একটি হেল্পলাইন চালু করেছে৷ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর উদ্বোধন করেন৷ হেল্পলাইনের নম্বর ১০৯৮৷ শিশুরা যে-কোনো মোবাইল অপারেটর ব্যবহার করে এই নম্বরে ফোন করে ঝুঁকি বা নির্যাতনের কথা জানিয়ে সহায়তা চাইতে পারবে৷ হেল্পলাইনটি টোল-ফ্রি, অর্থাৎ সেখানে ফোন করতে কোনো টাকা লাগবে না৷ এই কল সেন্টারে ফোন করে ২৪ ঘণ্টা সেবা পাওয়া যাবে৷ 

বড়দের মধ্যে কেউ শিশু অধিকার লঙ্ঘন, শিশু নির্যাতন, নিগ্রহ বা সামাজিক নিরাপত্তা ব্যাহত হওয়ার ঘটনা কিংবা শিশুদের সুরক্ষা সংক্রান্ত কোনো তথ্য জানলে তাঁরাও ঐ নম্বরে ফোন করতে পারবেন৷ 

আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সম্প্রতি হলেও অনানুষ্ঠানিকভাবে গত বছরের ডিসেম্বর থেকেই এর কার্যক্রম শুরু হয়েছিল৷ এর মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৩৭৯টি বাল্যবিয়ে ঠেকানো গেছে এবং ২ হাজার ৭০ শিশুকে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সহায়তার পাশাপাশি আইনি সেবা দেওয়া হয়েছে  বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা৷

সরকারের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন অনেকে৷ স্বপন রায় ফেসবুকে লিখেছেন, ‘‘এই হেল্প লাইনটার খুবই প্রয়োজন ছিল৷’’

তবে শুধু হেল্পলাইন চালু করাই যথেষ্ট নয় বলে মনে করেন ‘অপরাজেয় বাংলাদেশ’-এর নির্বাহী পরিচালক ওয়াহিদা বানু৷ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে কাজ করে সংস্থাটি৷ জাতীয় এক দৈনিককে দেয়া সাক্ষাৎকারে বানু বলেন, ‘‘শিশু নির্যাতনের পর ফোন ধরে ফোনেই কাউন্সেলিং করে লাভ হবে না; নির্যাতনের হাত থেকে শিশুদের তাৎক্ষণিকভাবে রক্ষার জন্য ‘কুইক রেসপন্স টিম’ থাকতে হবে৷’’ 

এর আগে নারীদের সহায়তায় একটি হেল্পলাইন চালু করে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়৷ নম্বর ১০৯২১৷ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট বলছে, ২০১২ সালের জুন মাস থেকে চলতি বছরের মে পর্যন্ত এই হেল্পলাইন থেকে প্রায় এক লক্ষ ৮২ হাজার ধরণের সেবা দেয়া হয়েছে৷

জেডএইচ/ডিজি (বিডিনিউজ, ইউনিসেফ)

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়