1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

শিশুদের শান্তি পুরস্কার জিতল মোহাম্মদ

মাত্র ১৩ বছর বয়সে লেবাননে স্কুল প্রতিষ্ঠার মতো কঠিন কাজে হাত দিয়েছিল সিরিয়ার মোহাম্মদ আল-জাউন্দে৷ সেই স্কুলে এখন দুই শ'রও বেশি শরণার্থী শিশু লেখাপড়া করছে৷ এমন স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য শান্তি পুরস্কার জিতেছে মোহাম্মদ৷

দৃষ্টান্তমূলক কাজের জন্য প্রতিবছর শিশুদের শান্তি পুরস্কার দেয় নেদারল্যান্ডসের কিডসরাইটস ফাউন্ডেশন৷ এ পর্যন্ত যারা এই পুরস্কার জিতেছে, তাদের মধ্যেসবচেয়ে কম বয়সে নোবেল জেতা মালালা ইউসুফজাই-ও আছেন৷ পাকিস্তানে তালেবানের হামলার শিকার হওয়া মালালা দীর্ঘদিনের চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে ওঠেন৷ ২০ বছর বয়সি এই নোবেলজয়ী এখন ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী৷ মঙ্গলবার দ্য হেগে তিনিই শিশুদের শান্তি পুরস্কার তুলে দেন ১৬ বছর বয়সি মোহাম্মদ আল জাউন্দের হাতে৷

এখন বয়স ১৬ হলেও লেবাননের বেকা উপত্যকার কাছে স্কুল প্রতিষ্ঠা শুরু করার সময় মোহাম্মদের বয়স ছিল ১৩৷ সিরিয়া থেকে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে আসা শিশুদের জন্য স্কুল গড়তে প্রথমে নিজের আত্মীয়-স্বজনদেরই সহায়তা চেয়েছিল মোহাম্মদ৷ এক এক করে অনেকেই এগিয়ে আসে তার আহ্বানে৷ অল্প কিছুদিনেই অনেক শিশু শিখতে শুরু করে লেখাপড়া৷ এক সময় বয়স্করাও আগ্রহ দেখাতে শুরু করে৷ তাঁদেরও ফেরায়নি মোহাম্মদ৷ শুরুতে মোহাম্মদ নিজেই নিয়েছিল শিশুদের পড়ানোর দায়িত্ব৷ পরে ধীরে ধীরে সিরিয়া থেকে পালিয়ে আসা বেশ কয়েকজন পেশাদার শিক্ষক যোগ দেন৷ ফলে লেবাননের শরণার্থীদের এলাকার স্কুলটি এখন ছোট-বড় সবার জন্যই আদর্শ এক বিদ্যাপীঠ৷

পুরস্কার গ্রহণের সময় মোহাম্মদ আল জাউন্দে জানিয়েছে, ‘‘পড়তে বা লিখতে শেখানোই এই স্কুলের উদ্দেশ্য নয়, আসল উদ্দেশ্য হলো কম বয়সি শরণার্থীদের নিজেদের প্রকাশের জন্য একটা জায়গা তৈরি করে দেয়া৷’’

মোহাম্মদের প্রশংসা করতে গিয়ে মালালা বলেন, ‘‘মোহাম্মদ জানে যে, সিরিয়ার ভবিষ্যত শিশুদের ওপর নির্ভরশীল আর শিশুদের ভবিষ্যত নির্ভরশীল শিক্ষার ওপর৷’’

সাত বছর ধরে যুদ্ধ চলছে সিরিয়ায়৷ এ যুদ্ধে অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারিয়েছে৷ ২৫ লক্ষ শিশু আজ দেশছাড়া৷ তাদের মধ্যে অন্তত ৫ লক্ষ সিরীয় শিশু আশ্রয় নিয়েছে লেবাননে৷

এসিবি/ডিজি (থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশন)

নির্বাচিত প্রতিবেদন