1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

শিশুদের পঙ্গু করে ভিক্ষা বন্ধে হাইকোর্টের রুল

বিশ্বকাপের টিকিট নিয়ে উন্মাদনা, শিশুদের পঙ্গু করে ভিক্ষা করানো বন্ধে হাইকোর্টের রুল, ছিনতাই হওয়া জাহাজ, এসবই আজকের ঢাকার পত্রপত্রিকার প্রধান খবর৷

default

এধরনের শিশুদের ধরে নিয়ে পঙ্গু করে ভিক্ষা করতে বাধ্য করা হয়

টিকিট নিয়ে উন্মাদনা

আজকের পত্রিকাগুলোর শিরোনাম আর ছবি দেখলেই বোঝা যাবে উন্মাদনা কতখানি৷ যেমন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের শিরোনাম ‘উল্লাস-হতাশা-হাঙ্গামা নিয়ে শুরু'৷ সঙ্গে বিক্ষুব্ধ জনতাকে দমাতে পুলিশের লাঠিচার্জের ছবি৷ প্রথম আলোর শিরোনাম ‘আনন্দ বেদনার টিকিট'৷ ইত্তেফাক লিখেছে ‘বিশ্বকাপের টিকিট নিয়ে তুলকালাম'৷ সঙ্গে পুলিশ ও বিক্ষুব্ধ জনতার ছবি৷ কালের কন্ঠেও একই ধরণের ছবি ছাপা হয়েছে৷ আর শিরোনাম ‘রুদ্ধশ্বাস টিকিটযুদ্ধ'৷ সমকালের শিরোনাম ‘টিকিট নিয়ে মহা হুলস্থূল'৷ তবে পত্রিকাটি বিক্ষোভের নয়, ছবি ছেপেছে ব্যাংকের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা জনসমুদ্রের৷ আর ডেইলি স্টারে একজনের ছবি ছাপা হয়েছে, যিনি টিকিট না পেয়ে মাথা নুয়ে দু:খ ভারাক্রান্ত মনে বসে আছেন৷ অর্থাৎ বোঝা যাচ্ছে, টিকিট পেয়ে কেউ খুশি হয়েছেন আর কেউ টিকিট না পেয়ে হতাশ হয়েছেন৷ এদিকে কোনো কোনো পত্রিকা বলছে টিকিট বিক্রির প্রক্রিয়াটি জটিল এবং সময়সাপেক্ষ৷ ফলে টিকিট কাটতে সময় লাগছে বেশি৷ একারণে দাঁড়িয়ে থাকা জনগণ মাঝে মধ্যে উত্তেজিত হয়ে পড়েন৷ এছাড়া সব পত্রিকার প্রতিবেদনগুলো পড়লে টিকিট কাটা নিয়ে মজার মজার অনেক তথ্য জানা যাবে৷

হাইকোর্টের রুল

কদিন আগে বিভিন্ন পত্রিকায় একটা খবর বেরিয়েছিল৷ ভিক্ষা করানোর জন্য কতটা নির্মমভাবে শিশুদের পঙ্গু করা হয় তার কিছু লোমহর্ষক কাহিনী ছিল প্রতিবেদনগুলোতে৷ সেটা দেখে হাইকোর্ট স্বপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেছে৷ এই খবরটি আজকের সব পত্রিকার প্রথম পাতায় রয়েছে৷ সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্য৷ যেখানে তিনি বলেছেন, সরকার চিরতরে ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ করতে চায়৷ এবং সেটা করা হবে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে পুনর্বাসন করে৷ তাঁর এই বক্তব্যটি বেশ গুরুত্ব দিয়ে ছেপেছে পত্রিকাগুলো৷ ছিনতাই হওয়া জাহাজের সর্বশেষ

কালের কন্ঠে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, জলদস্যুরা মুক্তিপণ চেয়েছে৷ কিন্তু সেটা কবে নাগাদ দিতে হবে সে সম্পর্কে কিছু বলেনি৷ এমনটাই দাবি মালিক কোম্পানির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার৷ এদিকে জাহাজে থাকা জ্বালানি তেল, পানি ও খাদ্যের মজুদ ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন জাহাজের ক্যাপ্টেন৷ জিম্মিরা গত শুক্র ও শনিবার তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন বলেও জানাচ্ছে কালের কন্ঠ৷

প্রতিবেদন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: রিয়াজুল ইসলাম

সংশ্লিষ্ট বিষয়