1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

শিল্পীর নাম স্লিনকাচু

ক্যামেরা দিয়ে যে সব চরিত্রের ছবি তোলেন, তারা হল শিল্পীর নিজের হাতে রং করা খুদে সব পুতুল৷ সেই পুতুলগুলোকে আবার সাজানো হয় পথঘাটের নানা ছোটবড় জিনিসের সঙ্গে৷

লন্ডনের অ্যান্ডিপা গ্যালারিতে স্লিনকাচু-র নতুন সৃষ্টিগুলো দেখানো হচ্ছে৷ ড্যামিয়েন হার্স্ট বা ব্যানস্কি-র মতো স্বনামধন্য আধুনিক শিল্পী-চিত্রকরদের কাজও এই গ্যালারিতে প্রদর্শিত হয়েছে৷ ঠিক সে ভাবেই অ্যান্ডিপা গ্যালারি লন্ডনে এবং অন্যত্র স্লিনকাচু-র সর্বাধুনিক শিল্পকর্ম প্রদর্শন করে থাকে৷ আর্টের বাজারে স্লিনকাচু-র তোলা ফটোগুলির দাম কয়েক হাজার ইউরো হতে পারে৷ অ্যান্ডিপা গ্যালারি-র পরিচালক আকোরিস অ্যান্ডিপা বলেন, ‘‘স্লিনকাচু-র কাজের কোনো একটা বিশেষ নাম দেওয়া চলে না – অংশত তা খুবই একক এবং অনন্য বলে; দ্বিতীয়ত, তাতে এতো ধরনের কাজ এসে পড়েছে বলে, যেমন ফটোগ্রাফি, ইনস্টলেশন, মিনিয়েচারিজম, স্ট্রিট আর্ট, আর্বান আর্ট – সব মিলিয়ে তার কোনো সংজ্ঞা দেওয়া সত্যিই শক্ত৷''

পরিত্যক্ত পুতুল

স্লিনকাচু তাঁর ছবিগুলি সৃষ্টি করেন মডেল রেলওয়ে-র মানুষজনের ছোট ছোট পুতুলগুলোকে বাস্তব জগতের নানা ফেলে দেওয়া জিনিসপত্রের সঙ্গে সাজিয়ে৷ পুতুলগুলোকে অনেক সময় নিজেই রং করে নেন স্লিনকাচু৷ তাঁর খুদে মানুষদের কোথায় সাজাবেন, তার খোঁজে ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাঁটেন এই শিল্পী৷ তারপর ঠিক জায়গাটি খুঁজে পেলে, সেখানে পুতুলগুলোকে সাজিয়ে, তার ছবি তোলেন স্লিনকাচু৷ তারপর পুতুলগুলোকে সেখানেই ফেলে রেখে চলে যান৷

পথচারীরা অনেক সময় খেয়ালই করেন না, ঠিক কীসের ছবি তুলছেন এই শিল্পী৷ পরে চোখে পড়লে বলেন: ‘‘দেখতে দারুণ লাগে, কেননা ও গুলো এতো ছোট আর অসাধারণ৷ কিন্তু কেউ দেখিয়ে না দিলে, আমি হয়তো ও গুলোকে খেয়ালই করতাম না৷''

আবার কেউ বলেন: ‘‘আমার ঐ স্কেটবোর্ডারদের আর তাদের গল্পটাকে খুব ভালো লেগেছে – যেভাবে একজন একটি ফেলে দেওয়া কমলালেবুর খোসার ওপর স্কেটবোর্ড করছে আর অন্যজন দাঁড়িয়ে রয়েছে৷''

নিজের সৃষ্ট পুতুলগুলোকে এ ভাবে ফেলে রেখে চলে যাওয়ার পিছনেও একটা চিন্তা রয়েছে৷ স্লিনকাচু বলেন, ‘‘অনেক ক্ষেত্রে আমি পুতুলগুলোকে দিয়ে মানুষজনের হারানো, পরিত্যক্ত, একাকিত্বের ভাবটাকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করি; শেষমেষ পুতুলগুলোকে নিজেই ফেলে রেখে চলে যাই... কেননা আমিই তো তাদের এই অনুভূতির কারণ৷ আমার ছবিগুলোর উপজীব্যই তো তাই৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়