1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

শিক্ষাঙ্গণে যৌন হয়রানি, অভিযুক্তকে বহিস্কারের দাবি

বাংলাদেশে একদিকে পুলিশ কর্মকর্তা নিহত, অন্যদিকে পুলিশই বলছে গুপ্তহত্যা বন্ধ করতে হবে৷ দখল নিয়ে সংঘর্ষ চলছে চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকায়৷ এসবের বাইরে যৌন হয়রানির ঘটনায় উত্তপ্ত শিক্ষাঙ্গণ৷

default

ফাইল ফটো

আরেক পুলিশ কর্মকর্তা নিহত

বুধবারের সংবাদপত্রগুলো মূলত এক পুলিশ কর্মকর্তা নিহতের ঘটনাকে বেশ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করেছে৷ দৈনিক কালের কন্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘আরেক পুলিশ কর্মকর্তা খুন'৷ পত্রিকাটির দাবি, ঢাকার রমনা থানার নয়াটোলা পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই শাহ মো. মিজানুর রহমানকে কে বা কারা হত্যা করেছে৷ মঙ্গলবার সকালে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে৷ তবে হত্যাকারীদের সম্পর্ক কোন তথ্য এখনো বের করতে পারেনি পুলিশ৷

গুপ্তহত্যা

এদিকে, বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ পর্যালোচনা সভা নিয়ে প্রধান শিরোনাম করেছে দৈনিক প্রথম আলো৷ পত্রিকাটি জানাচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নাম করে নাকি অনেক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে হত্যা করা হচ্ছে৷ লাশও পাওয়া যাচ্ছে যেখানে-সেখানে৷ ত্রৈমাসিক বিশেষ বৈঠকে এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে ‘গুপ্তহত্যা' উল্লেখ করে তা অবিলম্বে বন্ধ করার ব্যবস্থা নিতে বলেছেন পুলিশ কর্মকর্তারা৷

পাহাড়ি এলাকায় দখল নিয়ে সংঘর্ষ

চট্টগ্রামের ছলিমপুর এলাকায় বস্তি ও পাহাড়ি এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে ছিন্নমূল বস্তিবাসীদের দুটি দলের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে৷ এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনাও ঘটে৷ এতে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২০ জন৷ অবশ্য বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, বলে জানিয়েছে পুলিশ৷ দৈনিক সমকাল দিয়েছে এই খবর৷

শিক্ষাঙ্গণে যৌন হয়রানি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ নিয়ে আলোচনা চলছে বেশ কয়েকদিন ধরে৷ এ নিয়ে কয়েকটি প্রতিবেদনও প্রকাশ হয়েছে কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে৷ কিন্তু সেই অভিযুক্ত শিক্ষকের কোন বিচার এখনো হয়নি৷ দৈনিক ইত্তেফাক জানিয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষককে বরখাস্তের দাবিতে মঙ্গলবার মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থীরা৷ আপনি হয়তো জানেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছেন তারই বিভাগের এক শিক্ষিকা৷ কিন্তু তারপরও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এমন নিরব ভূমিকা পালন করেছেন কেন, তা ভেবে দেখা প্রয়োজন৷

গ্রন্থনা: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: রিয়াজুল ইসলাম

সংশ্লিষ্ট বিষয়