1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ হিসেবে কেরি আবার মধ্যপ্রাচ্যে

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি স্থাপনের উদ্যোগ হিসেবে আবারো ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিন সফর করছেন জন কেরি৷ জেরুজালেমে যাওয়ার উদ্দেশ্য সফল হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি৷ তবে বিবদমান দেশ দুটোর মধ্যে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ এখনো চলছে৷

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হবার পর থেকে জন কেরির এটা দশম মধ্যপ্রাচ্য সফর৷ এক বছরেরও কম সময়ে তিনি এতগুলি সফর করলেও, মধ্যপ্রাচ্যে এখনো শান্তি আসেনি৷ ইসরায়েল আর ফিলিস্তিনের মধ্যে দূরত্ব, পারস্পরিক আস্থাহীনতাও খুব একটা কমেছে – সে কথাও বলা যাবে না৷ বৃহস্পতিবার জেরুজালেমে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়ানহুর সঙ্গে তাঁর যৌথ সংবাদ সম্মেলন থেকেও পাওয়া গেল সেরকমই একটা আভাস৷

সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়ানহু শান্তি উদ্যোগে ফিলিস্তিনের আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘‘ইসরায়েলিদের মধ্যে শান্তি উদ্যোগে ফিলিস্তিনের আন্তরিকতা নিয়ে সন্দেহ বেড়েই চলেছে৷'' সম্প্রতি ইসরায়েল যে ২৬ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে, তাঁদের বীরোচিত সংবর্ধনা দেয়ায় ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সমালোচনা করে নেতানিয়ানহু বলেন, ‘‘নিরীহ নারী-পুরুষদের যারা হত্যা করেছে তাদের কর্মকাণ্ডকে মহিমান্বিত করা ভয়ংকর নিষ্ঠুরতা৷ সন্ত্রাসের হোতাদের সঙ্গে আলিঙ্গন করে, তাদের বীরের মর্যাদা দিয়েও কিভাবে একজন বলতে পারেন যে তিনি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে?''

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর এ মন্তব্য সম্পর্কে মাহমুদ আব্বাসের প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি৷ তবে বার্তা সংস্থা এপি-কে ফিলিস্তিনের কর্মকর্তা ওয়াসিল আবু ইউসিফ বলেছেন, ‘‘ফিলিস্তিনিরা ইসরায়েলি দখলদারিত্বের শিকার৷ ইসরায়েল আমাদের জমি নিয়ে ইহুদিদের জন্য বসতি গড়ে দিচ্ছে৷ এটাই এ অঞ্চলে শান্তি না আসার একমাত্র কারণ৷ নেতানিয়ানহু আসল কথা রেখে বাজে বকছেন আর এভাবে সবার দৃষ্টি মূল সমস্যা থেকে অন্যদিকে সরিয়ে নিতে চাচ্ছেন৷''

এদিকে বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের সংবাদ মাধ্যম জানায়, আরো ১৪শ ইহুদির জন্য বসতি স্থাপনের যে ঘোষণা দেয়ার কথা ছিল, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়ানহু সেই ঘোষণা রোববার পর্যন্ত স্থগিত রেখেছেন৷ গত জুলাইয়ে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন শান্তি আলোচনা নতুন করে শুরু হবার পর থেকে দু'দফা ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দিয়েছে ইসরায়েল৷ তবে বন্দি মুক্তির পরপরই ইহুদিদের জন্য বসতি নির্মাণের ঘোষণাও এসেছে৷

এমন পরিস্থিতিতেই মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি স্থাপনের উদ্যোগ হিসেবে প্রথমে জেরুজালেম সফর করছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি৷ ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আভিগডর লিবারমানের সঙ্গে বৈঠক সেরে রামাল্লার পশ্চিম তীরে গিয়ে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গেও বৈঠক করার কথা আছে তাঁর৷

এসিবি/ডিজি (ডিপিএ, এপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়