1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

শান্তি প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করলো হামাস

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আনতে প্রাথমিক সাফল্য পেল ওয়াশিংটনের বৈঠক৷ অ্যামেরিকার এই দাবির পাশাপাশি হামাস হুমকি ছুঁড়েছে ইসরায়েলে হামলার৷

default

গাজার নিয়ন্ত্রণ হামাসের হাতে

কট্টরপন্থী আহমেদিনেজাদ প্যালেস্টাইনকে ছুরিতে শান দিতে বললেন৷ আবার হুমকি দিলেন ইসরায়েলকে বিলুপ্ত করার৷

প্যালেস্টাইনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস আর ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু, দুজনেরই ইচ্ছা আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার৷ দশ দিন পরেই তাঁরা ফের মুখোমুখি হবেন কায়রোয়৷ তারপর আবার প্রতি দুই সপ্তাহ অন্তর চলতে থাকবে আলোচনা৷ কিন্তু এই বৈঠকের অন্য দিকের প্রতিক্রিয়া যদি দেখতে হয়, তাহলে নজর দিতে হবে ইসরায়েল সহ মধ্যপ্রাচ্যের মিডিয়াগুলোর দিকে৷ যেখানে খুব একটা আশাবাদ দেখা যায় নি শুক্রবার৷ উদাহরণ, ইসরায়েলের নামজাদা রাজনৈতিক কলামনিস্ট নাহুম বার্নেয়ার প্রবন্ধ৷ বার্নেয়া বলছেন, মার্কিন চাপে পড়ে নেতানিয়াহু বৈঠকে বসেছেন ঠিকই, কিন্তু নেতানিয়াহুর চরিত্র কিন্তু এমন মোটেই নয়, যে তিনি চট করে ঘাড় পাততে রাজি হবেন৷ ওদিকে হামাস আবার নতুন করে হুমকি দিয়েছে ইসরায়েলের ওপর হামলা চালাবার৷

Frieden Nahost Netanjahu Obama

সরাসরি শান্তি আলোচনা শুরু হলেও পদে পদে বাধা

মোট তেরোটি জঙ্গি সংগঠনকে নিয়ে হামাস গড়ে তুলেছে এক শক্তিশালী গোষ্ঠী, যার লক্ষ্য হল ইসরায়েলের ওপর রকেট হামলা আর মানববোমা বিস্ফোরণ ঘটানো৷ হামাস চায় না এই শান্তি আলোচনার সাফল্য৷ আর এই কাজে তারা সম্ভবত ইরানের সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা দেখছে৷ কারণ ইরানের ইসরায়েল বিরোধী কট্টরপন্থী প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ মাহমুদ আব্বাসের এই শান্তি উদ্যোগের কড়া সমালোচনা করেছেন৷

বেশ কড়া ভাষায় আহমেদিনেজাদ নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বলেছেন, এসব শান্তি আলোচনা কোনদিকেই এগোবে না৷ প্যালেস্টাইনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের কর্তৃত্ব নিয়েই প্রশ্ন তুলে ইরানি প্রেসিডেন্টের বক্তব্য, কে এই আব্বাস এবং তাঁর সমঝোতাকারী প্রতিনিধিরা? কে তাদেকে দায়িত্ব দিয়েছে এ বিষয়ে আলোচনা করার? কী নিয়ে সমঝোতা করবে এরা? প্যালেস্টাইনের নিজস্ব ভূখণ্ড বিক্রি করার অধিকার কে দিয়েছে তাদের? এসব প্রশ্ন তোলার পাশপাশি প্যালেস্টাইনকে আহমেদিনেজাদের নির্দেশ, প্রস্তুত হতে৷ প্রস্তুতি অন্য কিছুর নয়, ইসরায়েলকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার৷ বলা বাহুল্য, এ ধরণের প্রতিক্রিয়াশীল আচরণ শান্তি আলোচনাকে কোনদিকে এগিয়ে দেবে তা বলে দেবে সময়৷

প্রতিবেদন: সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

সংশ্লিষ্ট বিষয়