1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

তুরস্ক

শান্তি চাওয়ায় তুরস্কে শিক্ষাবিদদের বিরুদ্ধে মামলা

তুরস্কের কুর্দি অধ্যুষিত অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো এক আবেদনে স্বাক্ষর করে শিক্ষাবিদরা চাকরি হারিয়েছেন৷ মামলাও হয়েছে৷ সন্ত্রাসের পক্ষে প্রচার চালানোর অভিযোগ তোলা হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে৷

এ অভিযোগ তোলা হয়েছে ১৫০ জন শিক্ষাবিদের বিরুদ্ধে৷ বামপন্থিদের ‘ইয়েনিয়ল' জার্নালের সম্পাদক উরাজ আয়দিন-ও তাঁদের একজন৷ কয়েক দিন আগে ইস্তাম্বুলের এক ক্যাফেতে ডয়চে ভেলের প্রতিবেদকের কথা হয় ৪১ বছর বয়সি উরাজের সঙ্গে৷ উরাজ জানান, প্রায় এক বছর আগে তুরস্কের কুর্দি অঞ্চলে শান্তি স্থাপনের আহ্বান জানানোর পর থেকে কী ঝড় বয়ে যাচ্ছে তাঁর ওপর দিয়ে৷ জানালেন, মার্মারা বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিউনিকেশন অনুষদে রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট হিসেবে কাজ করছিলেন তিনি, কিন্তু ওই আবেদনে স্বাক্ষর করার কারণে চাকরিটা হারিয়েছেন৷

বামপন্থি ভাবাদর্শের হওয়ায় এমনিতেই বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর পদোন্নতি হয়নি৷ গত বছর প্রভাষক পদে নিয়োগ প্রাপ্তির আশায় আবেদন করেছিলেন উরাজ৷ কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিয়েছিল, চাকরিটা হবে৷ কিন্তু পরের দিনই কুর্দি অঞ্চলে শান্তির দাবিতে স্বাক্ষরকারীদের নামের তালিকা পাঠানো হয় কর্তৃপক্ষের কাছে৷ মার্মারা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করে সেই সেখানেই রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট হিসেবে যোগদান করা উরাজ জানালেন, তালিকা পাঠানোর খবর শুনেই বুঝতে পেরেছিলেন বড় রকমের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে৷

অনুমান মিথ্যে হয়নি৷ কয়েকদিনের মধ্যে চাকরিচ্যুত করা হয় তাঁকে৷ গত ফেব্রুয়ারিতে ওই চাকরিচ্যুতিকে সমর্থন করে এমন আইনও পাশ করা হয়৷ ফলে চাকরিতে ফেরার পথ মোটামুটি বন্ধ৷

চাকরিচ্যুত করার পরই সন্ত্রাসের পক্ষে প্রচার চালানোর পক্ষে মামলা করা হয় উরাজ আয়দিনসহ ১৫০ জন শিক্ষাবিদের বিরুদ্ধে৷  কুর্দিস্তান কমিউনিটিজ ইউনিয়ন (কেসিকে)-র কো-চেয়ারম্যান বেজে হোজাতের ২০১৫ সালের ডিসেম্বরের এক বিবৃতিকে প্রমাণ হিসেবে উত্থাপন করে সরকার পক্ষের কৌঁসুলিরা দাবি করেন, কুর্দিস্তানে শান্তি স্থাপনের আহ্বান জানিয়ে শিক্ষাবিদরা আসলে সন্ত্রাসের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন৷ অভিযুক্তরা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন৷ ডয়চে ভেলেকে উরাজ আয়দিন বললেন, ‘‘আমি এবং আমার বন্ধুরা নিজেদের প্রশ্ন করেছি – আমাদের ওই স্বাক্ষরগুলোর জন্যই কি দেশের আজ এই অবস্থা?''

এসিবি/এপিবি (ডয়চে ভেলে)

নির্বাচিত প্রতিবেদন