1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

রোহিঙ্গা সংকট

শান্তিরক্ষা বাহিনী চায় মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জঙ্গি গোষ্ঠী

মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের রক্ষায় আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা বাহিনী মোতায়েনের আহ্বান জানিয়েছে ‘আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি’ বা এআরএসএ৷ আন্তর্জাতিক কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে তারা যুক্ত নয় বলেও দাবি করেছে তারা৷

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানায় এআরএসএ৷ মিয়ানমারের বাইরে বসবাসকারী রোহিঙ্গা অ্যাক্টিভিস্টরা বিবৃতিটি শেয়ার করেছেন৷ অবশ্য বার্তা সংস্থা এএফপি বিবৃতির উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারেনি৷ বিবৃতিতে সই করেছেন কমান্ডার-ইন-চিফ আতা উল্লাহ৷ রোহিঙ্গাদের রাজনৈতিক অধিকার দেয়ার দাবি জানিয়ে নির্মিত কয়েকটি ভিডিওতে তাঁকে দেখা গেছে৷

বিবৃতিতে এআরএসএ বলেছে, ‘‘আরাকানের রোহিঙ্গাদের রক্ষায় আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করি, কারণ, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী আমাদের নিজেদের রক্ষার চেষ্টা করার আইনগত অধিকার আছে৷’’ উল্লেখ্য, আরাকান হচ্ছে রাখাইন রাজ্যের আরেক নাম, যেখানে রোহিঙ্গারা বাস করেন৷

তবে তারা কোনো ধরনের সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত নয় বলে জানিয়েছে৷ আন্তর্জাতিক কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ নেই বলেও দাবি করেছে এআরএসএ৷ অতীতে ‘ফেইথ মুভমেন্ট’, ‘হারাকা আল-ইয়াকিন’ – এই দুই নামে পরিচিত ছিল জঙ্গি গোষ্ঠীটি৷

মিয়ানমারের নাগরিকত্বসহ রোহিঙ্গাদের অন্যান্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তারা কাজ করে বলে জানিয়েছে এআরএসএ৷ বিবৃতির মাধ্যমে সরকারের কাছে ২০ দফা দাবিও উত্থাপন করেছে তারা৷

এদিকে, এআরএসএ গত অক্টোবরে মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনীর উপর হামলা চালিয়ে ন’জনকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে ব্রাসেলসভিত্তিক সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ’৷

ঐ হামলার পর রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী৷ এই সময় নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকজনকে হত্যাসহ নারীদের ধর্ষণ ও ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ ওঠে৷ মিয়ানমার অবশ্য এ সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে

নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা পেতে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা ইতিমধ্যে বাংলাদেশে পালিয়ে গেছে৷

জেডএইচ/এসিবি (এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়