1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য আলোচনায় বসতে রাজি বাগবো

অবশেষে আইভরি কোস্ট পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধান চান লঁরা বাগবো৷ সেজন্য কোনো শর্ত ছাড়াই আলোচনায় বসতে রাজি বলে জানিয়েছেন তিনি৷ কিন্তু প্রতিপক্ষ বলছে এটা শুধুই সময়ক্ষেপণ ছাড়া আর কিছু নয়৷

default

লঁরা বাগবো

কী আলোচনা

সে ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি৷ কারণ বাগবো যে আলোচনায় বসতে চান, এই বিষয়টা বাগবোর মুখ থেকে আসেনি৷ এসেছে আফ্রিকান ইউনিয়ন ও ইকোওয়াসের একটা যৌথ বিবৃতি থেকে৷ সেখানে শুধু বলা হয়েছে, শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য কোনো শর্ত ছাড়াই বাগবো আলোচনা করতে রাজি হয়েছেন৷ এছাড়া আলাসানে ওয়াতারার হোটেলের চারদিকে যে পাহারা বসানো হয়েছে সেটাও তুলে নিতে রাজি হয়েছেন বাগবো, এমনটাই বলা হচ্ছে ঐ যৌথ বিবৃতিতে৷ আফ্রিকান ইউনিয়ন ও ইকোওয়াসের প্রতিনিধিরা বাগবো ও ওয়াতারার সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হওয়ার পর এই বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়েছে৷ তবে ধারণা করা হচ্ছে বাগবো হয়তো ক্ষমতা ভাগাভাগির কথা বলে থাকতে পারেন৷

ওয়াতারা পক্ষের প্রতিক্রিয়া

ওয়াতারা পক্ষ বাগবোর কথাকে একেবার পাত্তাই দিচ্ছেনা৷ ওয়াতারার মুখপাত্র আলি কুলিবালি বলেছেন, এটা বাগবোর একটা চাল৷ তিনি আলোচনার ছলে সময়ক্ষেপণ করতে চাইছেন৷ এর মাধ্যমে তিনি মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে হটাতে চাইছেন৷ কুলিবালি বলেন, বাগবোর কথার কোনো গুরুত্ব নেই৷ আমরা সবাই তাঁর সরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় আছি৷ তাঁকে অবশ্যই ক্ষমতা ছাড়তে হবে৷

ওয়াতারা পক্ষের এই বক্তব্যের যুক্তি আছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা৷ কারণ মুখে শান্তির কথা বললেও ওয়াতারার সমর্থকদের উপর ঠিকই তার অনুগত নিরাপত্তা বাহিনীকে লেলিয়ে দিয়েছেন বাগবো৷ জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে ওয়াতারা সমর্থকদের একটি কার্যালয়ে পুলিশ অভিযান চালায়৷ অভিযোগ, সেখানে অবৈধ অস্ত্র রয়েছে৷ পরে জানা গেল, অভিযানে এক ওয়াতারা সমর্থক মারা গেছেন৷ অবশ্য বাগবোর অনুগত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, ঐ ব্যক্তি পুলিশকে ছুরি দিয়ে মারতে আসলে পুলিশ গুলি করে৷

বিশ্বের প্রতিক্রিয়া

কেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী রায়লা ওডিঙ্গা বলেছেন, ক্ষমতা ভাগাভাগির কোনো সুযোগ নেই৷ ওডিঙ্গা নিজে যদিও ক্ষমতা ভাগাভাগি চুক্তির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, তিনি বলেন কেনিয়ার সমাধান যে অন্যের ক্ষেত্রেও সফল হবে সেটাতো নয়৷ ওডিঙ্গা বলেন, এমনটা হলে সেটা আইভরি কোস্ট তথা পুরো পশ্চিম আফ্রিকারই গণতন্ত্রকে ব্যহত করবে৷ ওডিঙ্গার মতো প্রায় একই সুরে কথা বলেছে যুক্তরাষ্ট্র৷ দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ফিলিপ ক্রাউলি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল স্পষ্ট৷ সুতরাং ক্ষমতা ভাগাভাগির বিষয়টি সামনে আসা উচিত নয়৷

প্রতিবেদন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: ফাহমিদা সুলতানা