1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

শহিদ বুদ্ধিজীবীদের নামে সড়ক: ব্যবহার হচ্ছে কি?

বাঙালি জাতি আজ শ্রদ্ধাভরে শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করছে৷ ১৯৭১ সালে পরাজয় নিশ্চিত জেনে পাকিস্তানি বাহিনী তাদের দোসরদের সহায়তায় মেধাবী এই সন্তানদের হত্যা করেছিল৷ তবে সংখ্যাটা ঠিক কত তা আজও জানা যায়নি৷

কাজল দাস ফেসবুকে লিখেছেন, ‘‘এ বছর এমন এক সময় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হচ্ছে যখন বুদ্ধিজীবী হত্যাসহ একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার বেশ জোরেশোরে এগিয়ে চলছে৷ ইতিমধ্যে চার যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি কার্যকর হয়েছে৷ যাদের মধ্যে দুইজনের বিরুদ্ধে বুদ্ধিজীবী হত্যার ভূমিকা রাখার অভিযোগ রয়েছে৷ বুদ্ধিজীবী হত্যার আরেক হোতার বিচারও সম্পন্ন হওয়ার পথে৷ একাত্তরের ঘাপটি মরে থাকা ঘাতক এবং তাদের এজেন্টরা এ বিচার প্রক্রিয়া বানচালের জন্য নানামুখী ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে৷ বুদ্ধিজীবী হত্যাসহএকাত্তরের সব সঠিক মানবতাবিরোধী কর্মকান্ডের দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে এসব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে হবে৷''

ইকরাম জিসান মো. শামসুল লিখেছেন, ‘‘দীর্ঘ ৪৪ বছর পর যুদ্ধাপরাধী কসাই কাদের মোল্লা, বদর নেতা কামারুজ্জামান, নৃশংস যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডে পাকিস্তানি বাহিনীর এদেশীয় প্রধান দোসর আলবদর কমান্ডার মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকরের মধ্য দিয়ে জাতি কলঙ্কমোচনের পথে এক ধাপ এগিয়েছে৷ এর ফলে শান্তি পাবে শহীদদের আত্মা৷''

ফাহিম হুসেইন লিখেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে আজ অত্যন্ত শোকের দিন৷

নর্থ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ কালচারাল ক্লাব বুদ্ধিজীবী দিবস নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি তৈরি করেছে৷ টুইটারে সেটি শেয়ার করেছেন এম ফজলে রাব্বী৷

নুরুন্নবী চৌধুরী শহিদ বুদ্ধিজীবী পালনের ছবি শেয়ার করেছেন৷

অরূপ দাস নিহত হওয়া কয়েকজন বুদ্ধিজীবীর ছবি শেয়ার করেছেন৷

শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে ঢাকার বিভিন্ন স্থাপনা ও সড়কের নামকরণ করা হয়েছে৷ কিন্তু অধিকাংশ মানুষই সেগুলো ব্যবহার করছেন না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম৷ সংবাদ সংস্থাটি প্রতিবেদনের সঙ্গে একটি ছবি প্রকাশ করেছে৷ তাতে দেখা যাচ্ছে পুলিশের সাইনবোর্ডেও ‘শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক' নামটি ব্যবহার না করে নিউ সার্কুলার রোড লেখা হয়েছে৷

এদিকে, কালের কণ্ঠ পত্রিকা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ‘‘একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বর বা এর আগে-পরে ঠিক কতজন বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়েছে তার সঠিক পরিসংখ্যান গত ৪৪ বছরেও করা হয়নি৷ এত বছরেও কেন এ সংখ্যা নিরূপণ করা গেল না তা নিয়ে প্রশ্ন অনেকের৷'' তবে পত্রিকাটি জানিয়েছে, ১৯৯৪ সালে বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী কোষগ্রন্থ' নামের শহীদ বুদ্ধিজীবীদের অসম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশিত হয়, যাতে মাত্র ২৩২ জন শহীদ বুদ্ধিজীবীর নাম ছিল৷ এদিকে, ‘বাংলাপিডিয়া'-র তথ্য বলছে, ১৪ ডিসেম্বর ৯৯১ জন শিক্ষাবিদ, ৪৯ জন চিকিৎসক, ১৩ জন সাংবাদিক ও অন্যান্য পেশার ১৬ জন বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়৷

সংকলন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়