1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘শরণার্থীদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে’

জার্মানির মতো কিছু দেশের প্রশাসন ও মানুষ শরণার্থী গ্রহণের ক্ষেত্রে বর্তমানে অভাবনীয় উদারতা দেখা যাচ্ছে৷ কিন্তু শরণার্থী প্রশ্নে দীর্ঘমেয়াদি নীতি সম্পর্কেও নানা মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে৷

ইউরোপ যখন শরণার্থীদের ঢল সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে তখন দেশ হিসেবে জার্মানির প্রশাসন ও মানুষ শরণার্থীদের স্বাগত জানাচ্ছে৷ কিন্তু এমন সদিচ্ছা, সহায়তার মনোভাব এবং ক্ষমতা কতদিন অক্ষত থাকবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে৷ জার্মান সরকার আগামী বছরগুলিতেও ক্ষমতা অনুযায়ী শরণার্থী গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছে৷ জার্মানির উপর শরণার্থীদের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়েও বক্তব্য রেখেছেন জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল৷ মহম্মদ আবোশানাব এ প্রসঙ্গে ম্যার্কেল সরকারের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন শেয়ার করেছেন৷



মানবাধিকার সংগঠন ‘হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’-এর ইউরোপ ও মধ্য এশিয়া বিভাগের প্রধান হিউ উইলিয়ামসন জানিয়েছেন, শীতের আগেই জার্মানি আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য বাড়তি বাসস্থানের ব্যবসা করছে৷



রবার্টো রে মনে করিয়ে দিয়েছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রস্তাবিত মাত্রার চেয়েও বেশি রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী গ্রহণ করেছে জার্মানি ও সুইডেন৷



লেখক ও সাংবাদিক চাকের খাজাল মনে করেন, শরণার্থী সংকটের সমাধান হলো প্রথমে তাদের স্বাগত জানানো এবং তারপর শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে সমাজের মূল স্রোতে তাদের সমন্বয় করা৷


শরণার্থীদের বিষয়ে সরকারি স্তরে আলাপ-আলোচনা, তর্ক-বিতর্কের পাশাপাশি তাদের অবস্থা নিয়ে নানা প্রতিবেদন, ছবি, ব্যঙ্গচিত্র শেয়ার করছেন টুইটার ব্যবহারকারীরা৷ যেমন অ্যান্ড্রু ফাংক শরণার্থীদের প্রতি বৈষম্যের বিরুদ্ধে একটি ব্যঙ্গচিত্র শেয়ার করেছেন৷



জার্মানিতে পৌঁছে শরণার্থী পরিবারের এক শিশুর অভিব্যক্তি দেখে ক্যাথরিন মাহোনি আশা প্রকাশ করেছেন, তার ভবিষ্যৎ যেন উজ্জ্বল হয়৷


আরেক শরণার্থী পরিবারের উজ্জ্বল, আশাভরা অভিব্যক্তি শেয়ার করেছেন রোসমে ওয়ারডা৷



সংকলন: সঞ্জীব বর্মন
সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়