1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

শরণার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতারণার অভিযোগ

জার্মানিতে যারা আশ্রয়ের আবেদন করেন, প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের জনপ্রতি মাসে প্রায় সাড়ে তিনশ' ইউরো দেয়া হয়৷ এই সুযোগে একজন আশ্রয়প্রার্থী ১২টি ভিন্ন পরিচয় ব্যবহার করে প্রায় ৪৫ হাজার ইউরো নিয়েছেন বলে অভিযোগ৷

লোয়ার সাক্সনি রাজ্যের ব্রাউনশোয়াইগ শহর কর্তৃপক্ষের গঠিত একটি বিশেষ কমিশন এই তথ্য দিয়েছে৷ প্রতারণা করে কল্যাণ তহবিল থেকে টাকা নেয়ার ৩০০-র বেশি মামলার তদন্ত করছে কমিশন৷ আশ্রয়প্রার্থীরা এভাবে প্রায় ৩০ থেকে ৫০ লক্ষ ইউরো নিয়েছেন বলে অভিযোগ কমিশনের৷

জার্মান প্রচারমাধ্যম এনডিআর-এ প্রচারিত এক প্রতিবেদন বলছে, অভিযুক্ত আশ্রয়প্রার্থীদের বেশিরভাগই সুদানের৷ ২০১৫ সালে জার্মানিতে আসা আট লক্ষ আশ্রয়প্রার্থীর সঙ্গে তারাও এসেছেন বলে জানিয়েছেন কমিশন প্রধান ইয়র্ন মেমেঙ্গা৷ তিনি বলেন, অতিরিক্ত অর্থ পেতে অভিযুক্তরা বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন পরিচয় ব্যবহার করে নিবন্ধিত হন৷ এভাবে একেকজন প্রায় তিন-চার ধরণের পরিচয় ব্যবহার করেন৷ ‘‘কখনো দাঁড়ি গজিয়ে, কখনো চশমা পরে, কখনো চুল ছোট করে একেক সময় একেক শেষ নাম ব্যবহার করেছে তারা,'' বলেন মেমেঙ্গা৷

একদিনে একসঙ্গে অনেক শরণার্থী নিবন্ধন করতে হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তাদের পক্ষে সবকিছু যাচাই বাছাই করা সম্ভব হয়নি৷ মেমেঙ্গা জানান, এমনও সময় গেছে যখন একদিনে দুই হাজার শরণার্থীকে নিবন্ধন করতে হয়েছে৷ ‘‘তখন আমরা শুধু একটা বিষয়ই এড়াতে চেয়েছি - কেউ যেন গৃহহীন না থাকে,'' বলেন তিনি৷ সংকটের শুরুর দিকে অনেক শরণার্থীর শুধু ছবি তুলে নিবন্ধন করতে হয়েছে৷ ‘‘আঙুলের ছাপ নেয়া সম্ভব হয়নি,'' জানান মেমেঙ্গা৷

‘অ্যাসাইলাম সিকার অ্যাক্ট' অনুযায়ী, কোনো আশ্রয়প্রার্থীর দায়িত্ব যদি সরকার পুরোপুরি না নিতে পারে তাহলে তাকে ‘পকেট মানি' হিসেবে প্রতি মাসে ১৩৫ ইউরো আর ব্যক্তিগত প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে ২১৬ ইউরো দেয়া হয়৷ এই হিসেবে একেকজন অভিযুক্ত আশ্রয়প্রার্থী প্রতারণা করে হাজার হাজার ইউরো নিয়েছে৷ ‘‘এভাবে একজন অবৈধভাবে প্রায় ৪৫ হাজার ইউরো নিয়েছেন,'' বলেন মেমেঙ্গা৷

প্রতিবেদন: কেট ব্র্যাডি/জেডএইচ

সম্পাদনা: আশীষ চক্রবর্ত্তী

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়