1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

শরণার্থীদের জন্য ‘মাল্টিকালচারাল টয়লেট'!

জার্মানিতে যাঁরা শরণার্থী হয়ে এসেছেন তাঁদের অনেক সমস্যারই সমাধান করার চেষ্টা করছে সরকার৷ তবে অদ্ভুত এক সমস্যার সমাধান এতদিন পাওয়া না গেলেও এখন যাচ্ছে৷

শরণার্থীদের অনেকেই ইউরোপের ফ্লাশ-টয়লেট এর সঙ্গে পরিচিত নন৷ তাই তাঁরা হঠাৎ এমন টয়লেট দেখে বুঝে উঠতে পারেন না কীভাবে তা ব্যবহার করতে হবে৷ যদিও শরণার্থী কেন্দ্রের টয়লেটগুলোতে আরবি ভাষা এবং ছবি ব্যবহার করে নির্দেশনা ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে৷ তবুও অনেক কেন্দ্রের টয়লেট ও গোসলখানার মেঝেতে মলমূত্র পড়ে থাকতে দেখা গেছে৷

বার্লিনে শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করা একটি সংস্থার কর্মী মানফ্রেড নোভাক ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘সব কেন্দ্রে এই সমস্যা না থাকলেও সমস্যাটা আছে৷ ব্যাপারটা নির্ভর করে ঐ কেন্দ্রের শরণার্থীরা কোন দেশ থেকে এসেছে তার ওপর৷''

‘বহু সাংস্কৃতিক' টয়লেট

সহজে বহন করা যায় এমন টয়লেট তৈরি করে জার্মান কোম্পানি ‘গ্লোবাল ফ্লিগেনশ্মিডট'৷

Deutschland Berlin-Weißensee Toilettenhäuschen Notunterkunft für Flüchtlinge geschlossen

অনেক কেন্দ্রের বাথরুম ও গোসলখানার মেঝেতে মলমূত্র পড়ে থাকতে দেখা গেছে

শরণার্থীদের সমস্যার সমাধান করতে তারা এক অভিনব টয়লেট তৈরি করেছে৷ কিছুদিন হলো সেটা বাজারে পাওয়া যাচ্ছে৷ পশ্চিম ও পুব – এই দুই সংস্কৃতির মানুষ যেন একই টয়লেট ব্যবহার করতে পারে সেই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে৷

শরণার্থীদের দেখভাল করছে এমন সংস্থার কয়েকটি ইতিমধ্যে তাদের সাথে যোগাযোগ করেছে বলে ডয়চে ভেলেকে জানান কোম্পানির প্রধান পেটার ফ্লিগেনশ্মিডট৷ অবশ্য তিনি মনে করেন, এই যে ‘সমস্যা' সেটা সাময়িক৷ তাই এ ধরণের টয়লেটের প্রয়োজনও হবে সাময়িক৷ কিন্তু পেটার ফ্লিগেনশ্মিডট মনে করেন, তাঁদের নকশা করা এই বহনযোগ্য টয়লেটের চাহিদা বিশ্বের অন্য দেশগুলোতেও থাকবে, যেখানে নির্মাণকাজে অনেক পশ্চিমা নাগরিকও কাজ করেন৷

‘বহু সাংস্কৃতিক' টয়লেটের সত্যিই কি প্রয়োজন আছে? জানান নীচের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়