1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

শত কোটি টাকার ফুটবল জুয়াড়িদের ধরতে ইন্টারপোলের অভিযান

এক সময় ক্রিকেটকে বলা হতো বেটিং গেম৷ কিন্তু ফুটবল খেলা নিয়েও যে জুয়া হতে পারে, সে বিষয়টি জানা ছিল না বেশি মানুষের৷ কিন্তু এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলের সময়ে বেশ রমরমা ছিল জুয়ার ব্যবসা৷

default

জাপানের জুয়াড়িরা

আর এই জুয়া খেলা নাকি হয়েছে সবচেয়ে বেশি এশিয়ার দেশগুলোতেই৷ লাখো টাকা নয়, কোটি টাকা ছিল এ সব বাজির অংক৷ মালয়েশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, মাকাও এবং হংকং-সহ বিভিন্ন দেশে এক শ্রেণীর ব্যবসায়ীর আয়োজনে হয় এ সব জুয়ার খেলা৷ জুয়াড়িরা নাকি আন্তর্জাতিক সিন্ডেকেটের মাধ্যমে এই কাজ করেছে৷ জুয়ায় ব্যবহার করা হয়েছে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি৷ তবে জুয়াড়িরা ক্রিকেটের মতো ফুটবল ম্যাচও নিয়ন্ত্রণ করেছে কিনা, সে সম্পর্কে কোন তথ্য জানা যায়নি৷

এবার বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে জুয়ার ঘটনা তদন্তে নেমেছে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা বা ইন্টারপোল৷ তারা প্রায় ৫ হাজার ব্যক্তিকে কড়া নজরদারিতে নিয়ে এসেছেন, যারা জুয়ার আয়োজক বা অংশগ্রহণকারী৷ ইতিমধ্যে এদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়ে গেছে৷ জুয়ার অংকের প্রায় ১০

Logo Fussball WM 2010 Süd Afrika

মিলিয়ন মার্কিন ডলার উদ্ধার করেছে তারা৷ ইন্টারপোলের কর্মকর্তা জেন মিশেল লাওবাউটিনের কথায়, ‘এই জুয়ার আড়ালে হয়েছে হুন্ডি, পতিতাবৃত্তি এবং আর্থিক দুর্নীতির মতো ঘটনা৷ আর এ সব কিছুই হয়েছে সংঘবদ্ধভাবে৷' তিনি বললেন. ‘আমরা এমন এক অভিযান পরিচালনা করছি, যার ফল পাওয়া যাবে ভবিষ্যতেও৷'

মালয়েশিয়াতে নাকি বিশ্বকাপ উপলক্ষে সরকারি অনুমতি নিয়েও কিছু জুয়া হয়েছে বলে জানা গেলেও, তা ছিল কঠোর নজরদারিতে৷ স্পেশাল টাস্কফোর্স গঠন করে ইন্টারনেট জুয়া খেলার উপর নজর রাখা হয়েছিল৷ কিন্তু কিছুতেই ঠেকানো যায়নি বেআইনিভাবে কোটি কোটি টাকার ফুটবল জুয়া৷

এশিয়ার সবচেয়ে বড় ফুটবল জুয়া হয় চীনে৷ সেখানে আন্ডারগ্রাউন্ড জুয়াড়ির ছড়াছড়ি ছিল টানা একমাস৷ টাইটান স্পোর্টস উইকলির মতে, ২০০৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে চীনে ৫০ হাজার কোটি ইয়েনের বাজি হয়েছে অনলাইনে৷ ভারতে শুধুমাত্র ঘোড়দৌড় বাদে অন্য যেকোন খেলায় বাজি বা জুয়া খেলা নিষিদ্ধ৷ ভারত বিশ্বকাপে না খেললেও সেখানে বাজি ধরার প্রবণতা পুরানো৷ ফলে সেখানেও চলছে অবৈধ উপায়ে বিশ্বকাপ জুয়া৷

প্রতিবেদন: সাগর সরওয়ার

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়