1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

শতকরা ৯৯ ভাগ মানুষই ভোট দিতে পারবে না

বাংলাদেশে প্রথম দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামাতকে প্রতীক না দেয়ায়, আমাদের ফেসবুকে একজন পাঠকের মন্তব্য ‘জামাত নির্বাচন করবে পাকিস্তানে, এই দেশে না'৷ তবে বেশিরভাগ বন্ধুরই চাওয়া একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন৷

নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে না বলেই ধারণা ডয়চে ভেলের ফেসবুক বন্ধু মো.হাকিমের৷ তাঁর পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে তিনি যেমনটা দেখেছেন: ‘‘মানুষ নিরপেক্ষভাবে ভোট দিতে পারলে দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে সমস্যা না, কিন্তু শতকরা ৯৯ ভাগই সত্যি যে মানুষ তার নিজের ভোটটা দিতে পারবে না৷ আওয়ামী লীগ ক্যাডার অথবা আওয়ামী পুলিশলীগ কেন্দ্র দখল, ভোটের আগেই ভোট বাক্সে ভোট ভর্তি থাকবে, যা আমরা ঢাকা ও চট্টগ্রামে সিটি নির্বাচনে দেখেছি, তবে স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীকে না হওয়াটা স্রেয়৷''

নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে না বলে বিশ্বাস ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাঠক মোহাম্মদ আলতাফেরও৷ তাই তিনি সরাসরি তাঁর মত জানিয়েছেন লিখেছেন, ‘‘আমরা ঐ ভণ্ড সিইসির ও নির্বাচন কমিশনের আন্ডারে নির্বাচন সমর্থন করি না৷

‘‘আগেও তো দলীয় নির্বাচন হতো, পার্থক্য আগে বেনামে হতো এখন নামে হবে৷'' আগামী ৩০শে ডিসেম্বর প্রথম দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পর্কে এই মন্তব্য অর্জুন বৈদ্যের৷

অন্যদিকে জামাতকে নির্বাচনে প্রতীক না দেওয়ায় তা নাকি সমর্থন করা বা না করার কিছু নেই বলে জানিয়েছেন পাঠক মির্জা হোসেন৷ আর এখন সব কিছুই দলীয়করণ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য মো.বিল্লাল হোসেনের৷

‘‘আমরা বলদ জনগণ! আমরা না চাইলেও হাল কিন্তু ঠিকই বাইতে হবে!'' ফেসবুক বন্ধু মাসুম তাঁর এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে জনগণের চাওয়া বা না চাওয়ার কোনো মূল্য নেই বাংলাদেশে, সেটাই বোঝাতে চেয়েছেন মনে হয়৷

মোহাম্মদ মুহিদুল ইসলাম কিন্তু জামায়াতের প্রতীক না পাওয়ায় খুশিই হয়েছেন৷

পাঠক ইমলাকের প্রতীক বা দল নিয়ে কোনো মাথা ব্যথা নেই৷ তাঁর কথা, নির্বাচন নিরপেক্ষ হলো কিনা সেটাই বড় বিষয়৷

এছাড়া ছদ্মনামেও কেউ কেউ জামায়েতকে নিষিদ্ধ করার পক্ষেও মতামত জানিয়েছেন আমাদের ফেসবুকে৷

লিয়ন, কামরুল হাসান, অভি আহমেদ, বাবুল – এঁদের সকলের কাছেই দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পছন্দ নয়৷

বাংলাদেশি নামে একজন ফেসবুকে লিখেছেন, ‘‘জামাত নির্বাচন করবে পাকিস্তানে, এই দেশে না৷''

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন