1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

‘‘লিলি মার্লেন’’- একটি গান, একটি ইতিহাস

একটি গান কখনও কখনও ইতিহাস হয়ে যায়৷ তবে সব গান নয়৷ইতিহাস হয়ে ওঠা একটি গানের কথাই আপনাদের শোনাবো৷ একটি জার্মান গান - ‘‘লিলি মার্লেন’’ নামে যা বিশ্বের নানা দেশে নন্দিত হয়েছে৷ সৈনিকদের এক অকৃত্রিম গান হিসেবেই এর পরিচিতি৷

default

লিলি মার্লিন

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বেলগ্রেডে জার্মান দখলদার সেনাদের রেডিও স্টেশনের সান্ধ্য অনুষ্ঠান প্রতিদিন শেষ হত ‘দ্যা সং অফ এ ইয়াং সেন্ট্রি' গানটি দিয়ে৷ এই গানই সারা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা গান ‘লিলি মার্লেন'৷

প্রতিদন সন্ধায় এই গান বেতারে ভেসে ওঠার সাথে সাথে স্তব্ধ হয়ে যেত রণাঙ্গনে গোলাগুলির শব্দ, সৈনিকেরা নামিয়ে নিতেন তাঁদের অস্ত্র৷ লক্ষ সৈনিকের হৃদয় ছুঁয়ে যেত এই গান৷ স্মৃতির পটে ভেসে আসত স্বদেশের মায়াঘেরা পরিবেশ আর ফেলে আসা ভালবাসা৷ নস্টালজিয়ায় মেশানো এই গান প্রথম প্রচারিত ১৯৪১ সালের ১৮ এপ্রিল৷ গেয়েছিলেন সে সময়ের জনপ্রিয় ক্যাবারেট শিল্পী লালে আন্ডেরসেন৷

এই গান রচনা করেন এক জার্মান সৈনিক হান্স লাইপ ১৯১৫ সালে অর্থাৎ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়৷ যুদ্ধ চলাকালে তাঁর পরিচিত দুই তরুণী লিলি এবং মার্লেনকে মিশিয়ে তিনি লিখলেন তাঁর কবিতা ‘লিলি মার্লেন‘৷ প্রায় বিশ বছর পর অর্থাৎ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রথম প্রকাশিত হয় এই কবিতা৷ বিখ্যাত সুরকার নর্ব্যার্ট শুলৎসে সুর দেন এই কাব্যে৷ প্রায় আশিটি ভাষায় অনূদিত হয় এই গান৷ লালে আন্ডেরসেনের পর এই গানকে আরও জনপ্রিয় করে তোলেন জগদ্বিখ্যাত জার্মান চলচ্চিত্র ও সংগীত তারকা মার্লেনে ডিয়েট্রিশ৷

বিভিন্ন সংগীত শিল্পী বা গোষ্ঠী, বিভিন্ন আঙ্গিকে গেয়েছেন এই গান৷ যেমন এইট আর্মি সং নামের একটি সংগীত দল৷ তাঁরা ‘লিলি মার্লেন‘ এর সুরটি গ্রহণ করেছিলেন বটে কিন্তু গানের বিষয়বস্তু ছিল ভিন্ন৷

এখনও বিশ্বের বহু দেশে বহু সংগীত শিল্পী ও সংগীতানুরাগীর কাছে ‘লিলি মার্লেন' এক অসাধারণ রচনা৷ জাপানের বিখ্যাত সংগীত তারকা টকিকো কাটো ১৯৮৬ সালে ‘লিলি মার্লেন' গেয়ে জাপানের হিট গানের তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন৷

প্রতিবেদক : মারুফ আহমদ

সম্পাদনা : আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়