1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

লিবিয়ায় বিমান হামলা চলছে, ‘গাদ্দাফি লক্ষ্য নন’

লিবিয়ায় বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে আন্তর্জাতিক মিত্র বাহিনী৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, উড়াল নিষেধাজ্ঞা বজায় রাখার দায়িত্ব অন্যান্যদের উপরও বর্তাবে৷ গাদ্দাফিকে লক্ষ্য করে হামলা নিয়ে শোনা যাচ্ছে পরস্পরবিরোধী মন্তব্য৷

default

লিবিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করছে ব্রিটিশ যুদ্ধ বিমান

রাডার ব্যবস্থায় হামলা

আন্তর্জাতিক মিত্র বাহিনী সোমবার গাদ্দাফি পক্ষের দু'টি রাডার ব্যবস্থায় হামলা চালিয়েছে৷ লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলের শহর বেনগাজির কাছে দুটি বিমান প্রতিরক্ষা কেন্দ্রে রাডার দুটি বসানো ছিল৷ আল-জাজিরা টেলিভিশন এই খবর জানালেও পশ্চিমা বাহিনীর কাছ থেকে এ নিয়ে কোন মন্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি৷ তবে, ফরাসি সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সোমবার রাতের হামলায় ফরাসি কোন বিমান অংশ নেয়নি৷

এদিকে, ত্রিপোলীতে সোমবার রাতেও বিমান বিধ্বংসী গোলার শব্দ শোনা গেছে৷ আগের রাতে গাদ্দাফির যে দুর্গে বোমা হামলা হয়েছিল, সেখানে সোমবারও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে৷ লিবিয়া সরকারের মুখপাত্র ইব্রাহিম মুসা জানিয়েছেন, সিরতা বিমানবন্দরে বিমান হামলায় অনেক বেসামরিক মানুষ মারা গেছে৷

Flash-Galerie Libyen Aufständischer in Bengasi

বেনগাজিতে সক্রিয় সরকারবিরোধীরা

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, লিবিয়ার উপর জাতিসংঘের উড়াল নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করে মার্কিনিদের অগ্রণী ভূমিকায় শীঘ্রই পরিবর্তন আসবে৷ তিনি বলেন, ন্যাটো এক্ষেত্রে সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করতে পারে তবে এখনো সংগঠনটিতে এই নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে৷ বিশেষ করে ফ্রান্স এবং তুরস্ক লিবিয়ায় উড়াল নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রাখার ক্ষেত্রে ন্যাটোর নেতৃত্বের বিরোধী৷ রাশিয়া সফররত মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রবার্ট গেটসও জানিয়েছেন, শীঘ্রই পশ্চিমা মিত্র বাহিনীতে মার্কিন উপস্থিতি কমানো হবে৷

‘গাদ্দাফি লক্ষ্য নন'

গাদ্দাফিকে নিয়ে পশ্চিমা সমাজ বেশ দ্বিধাবিভক্ত৷ রবিবার ব্রিটেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিয়াম ফক্স জানিয়েছিলেন, কর্নেল গাদ্দাফিও বিমান হামলার লক্ষ্য হতে পারেন৷ তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আফ্রিকা বিষয়ক সামরিক প্রধান কার্টার এফ হাম জানিয়েছেন, গাদ্দাফির উপর হামলা আমাদের মিশনের উদ্দেশ্য নয়৷ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনও জানিয়েছেন, জাতিসংঘের অনুমোদিত নীতি অনুযায়ী গাদ্দাফিকে ক্ষমতা থেকে সরাতে সামরিক শক্তি ব্যবহারের দৃশ্যত তেমন কোন সুযোগ নেই৷

প্রতিবেদন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: জান্নাতুল ফেরদৌস

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়