1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

লিবিয়াকে নিয়ে বাগযুদ্ধ এবং প্রচারণা যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে

লিবিয়া বলছে, পশ্চিমের বিমান হানা এবং মিসাইল আক্রমণে নাকি ৪৮ জন প্রাণ হারিয়েছে৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, লিবিয়ায় বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষার আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা সীমিত থাকবে৷

default

পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হেগ দশ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট থেকে বেরনোর পরেই আসে প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের ঘোষণা

একদিকে গাদ্দাফি দৃশ্যত মরীয়া, অন্যদিকে পশ্চিমের এই সাবধানতা৷ তার কারণ, ইরাকের পর এটাই আরব বিশ্বে বৃহত্তম সামরিক হস্তক্ষেপ৷ এর বিকাশধারা এবং ফলশ্রুতি, দুটোই অজ্ঞাত৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ব্রিটেন, ক্যানাডা এবং ইটালি আক্রমণ শুরু করেছে৷ প্রথম গুলি ছুঁড়েছে ফরাসি বিমান৷ তার কয়েক ঘণ্টা পরে মার্কিন এবং ব্রিটিশ জাহাজ ও ডুবোজাহাজ থেকে ১১০-টির বেশি টমাহক ক্রুইজ মিসাইল ছোঁড়া হয়েছে৷ ওডিসি ডন নামধারী এই অভিযানের প্রথম পর্বে মার্কিনিরাই সার্বিক দায়িত্বে, তাদের আফ্রিকা কমান্ডের জেনারেল কার্টার হ্যাম'ই সর্বেসর্বা৷ তবে পরে নাকি মার্কিনিরা ছোট ভূমিকা নেবে৷

Militäreinsatz in Libyen hat begonnen französischer Düsenjäger in Saint Dizier

ফরাসি সামরিক বিমানঘাঁটিতে রাফালে জঙ্গিজেটকে অভিযানের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে

ভূমধ্যসাগরে এখন এই নতুন জোটের ২৫টি জাহাজ এবং সাবমেরিন জড়ো করা হয়েছে৷ শোনা যাচ্ছে, গাদ্দাফির বায়ু প্রতিরক্ষা নাকি ইতিমধ্যেই গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত৷ ওদিকে গাদ্দাফি তো বাগযুদ্ধ এবং প্রচারণা কিংবা অপপ্রচারের যুদ্ধে ওস্তাদ বলে গণ্য৷ তিনি তাঁর চাল চেলে চলেছেন৷

প্রথমত, লিবিয়া বলেছে জাতিসংঘের ১৯৭৩ নম্বর প্রস্তাবটিই অকেজো এবং তারা নতুন করে নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক চায়৷ দ্বিতীয়ত, পশ্চিমি আক্রমণের ফলে নো-ফ্লাই জোন বলে আর কিছু নেই৷ লিবিয়ার তরফ থেকে ফরাসি-মার্কিন-ব্রিটিশ আগ্রাসনের কথা বলা হয়েছে৷ গাদ্দাফি স্বয়ং বলেছেন ‘ঔপনিবেশিক আগ্রাসনের' কথা৷ লিবিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনই এখন গাদ্দাফির হাতে মূল অস্ত্র৷ গাদ্দাফির বক্তব্য: তাঁর দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করার কোনো অধিকার জাতিসংঘের নেই৷ তাঁর দেশের মানুষদের উপর যদি কেউ গুলি চালিয়ে থাকে, তো সে হল আল-কায়েদা৷ তবে গাদ্দাফি ঠিকই জানেন ইউরোপীয় ইউনিয়নকে কি করে বিপাকে ফেলতে হয়৷ তাই তাঁর আসল হুমকি হল, উত্তর আফ্রিকা থেকে ইউরোপমুখী অবৈধ অভিবাসন রোধে লিবিয়া আর ইউরোপের সঙ্গে সহযোগিতা করবে না৷ এছাড়া তিনি তাঁর অস্ত্রভাণ্ডার খুলে দেবেন, যাতে সাধারণ লিবীয়রা ‘ঔপনিবেশিক, ক্রুসেডার' আগ্রাসনের হাত থেকে স্বদেশকে রক্ষা করতে পারে৷

তবে প্রচারণা যুদ্ধে সাদ্দাম হুসেনও গোড়ায় কিছু কম যাননি৷ এখন দেখা যাক শেষমেষ গাদ্দাফির মুখ থেকে আপোষের কথা শোনা যায় কি না৷

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দোপাধ্যায়

নির্বাচিত প্রতিবেদন