1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

লিঙ্গ বৈচিত্র বিষয়টি সিলেবাসে থাকা নিয়ে বিতর্ক

জার্মানির বাডেন-ভুর্টেমব্যার্গ রাজ্যে নতুন ধরনের শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে সরকার৷ ভবিষ্যতে সিলেবাসে লিঙ্গ বৈচিত্রকে গ্রহণযোগ্যতা দেয়া হয়েছে৷ কিন্তু এ নিয়ে দেখা দিয়েছে মতবিরোধ৷

গত বছর বাডেন-ভুর্টেমব্যার্গ রাজ্যের স্কুলগুলোতে সিলেবাস পরিবর্তনের জন্য একটি কমিশন গঠন করা হয়৷ যাদের কাজ ২০১৫ সালের জন্য নতুন সিলেবাস করা৷ এখনও বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি৷ তবে প্রাথমিক কাজ অনেকটাই এগিয়ে গেছে, অর্থাৎ সিলেবাসে যে লিঙ্গ বৈচিত্রের বিষয়টি স্থান পেতে যাচ্ছে তা অনেকটা নিশ্চিত৷

তবে জার্মানির দক্ষিণ-পশ্চিমের ব্ল্যাক ফরেস্ট অঞ্চলের একজন স্কুল শিক্ষক এই শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে জনমত গঠন করছেন৷ এটি অনুমোদন না করার জন্য অনলাইনে আবেদন জানিয়েছেন তিনি৷ যেখানে স্বাক্ষর করেছেন ১ লাখ ৪ হাজার মানুষ৷ শিক্ষকের মতে, লিঙ্গ বৈচিত্র সম্পর্কে শিক্ষা দিতে গেলে শিক্ষাগত, আদর্শগত এবং নীতিগত শিক্ষার আরো প্রসার প্রয়োজন৷

তার আবেদনটি এলজিবিটি (লেসবিয়ান, গে, বাইসেক্সুয়াল ও ট্রান্সজেন্ডার) সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে৷ অর্থাৎ আবেদনে বলা হয়েছে, নতুন শিক্ষা পরিকল্পনায় এলজিবিটি লাইফ স্টাইলের নেতিবাচক দিকটি তুলে ধরার কোনো পরিকল্পনা নেই৷ কেননা নারী ও পুরুষ সমকামী, উভকামী ও রূপান্তরকামীদের মধ্যে যে আত্মহত্যা, মাদকাসক্তি, এইচআইভি এবং মানসিক অসুস্থতা রয়েছে সেটির কথা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে৷

শিক্ষানীতির গবেষক এবং জার্মানির ফ্লেন্সবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কার্লা এসেনব্যার্গ বলছেন, বাডেন-ভুর্টেমব্যার্গের শিক্ষানীতি নতুন কিছু না৷ তিনি ডয়চে ভেলেকে জানান, গত কয়েক বছরে একটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে যেখানে কয়েকটি দল মানুষকে এলজিবিটি সম্প্রদায় সম্পর্কে জ্ঞান দিচ্ছে৷ এসেনব্যার্গ জানান, লিঙ্গ বৈচিত্রতা বিষয়টি সামাজিক শিক্ষার অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যেখানে সামাজিক মূল্যবোধ সম্পর্কে জানার অধ্যায় রয়েছে৷ বাডেন-ভুর্টেমব্যার্গ রাজ্যের স্কুলগুলোতে ঠিক এই শিক্ষা পরিকল্পনাই নেয়া হয়েছে৷

তবে ঐ রাজ্যের শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ইউনিয়নের প্রধান ডোরো মরিৎস বলেন, ঐ রাজ্যের শিক্ষকদের এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া প্রয়োজন৷ বিশেষ করে যাঁরা এখন শিক্ষকতা করছেন এবং যাঁরা করবেন সবাইকেই এই প্রশিক্ষণ দিতে হবে৷

এরই মধ্যে জার্মান শিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন এই শিক্ষা নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে৷ সেখানে বলা হয়েছে, নতুন এই শিক্ষানীতি শিশু-কিশোরদের আত্মসম্মান বাড়াতে সাহায্য তো করবেই, সেইসাথে অন্যদের সম্পর্কে চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন এবং নিজেদের ব্যক্তিত্ব উন্নয়নেও সহায়ক হবে৷ এই পরিকল্পনার পক্ষে আবেদনে ইতিমধ্যেই ৪৬ হাজার মানুষ স্বাক্ষর করেছেন বলে প্রকাশ৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়