1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

‘লা মাসিয়া-য় হাত দিও না!’

বার্সেলোনা ফুটবল ক্লাবের সুবিখ্যাত ফুটবল অ্যাকাডেমি লা মাসিয়া৷ ১৮ বছরের কম বয়সি খেলোয়াড়দের ট্রান্সফার নিয়ে বার্সা ফিফা-র সঙ্গে যে বিরোধে জড়িয়ে পড়েছে, তার মূলে রয়েছে বার্সা-র এই প্লেয়ার তৈরি করার ‘সিস্টেম’৷

ফিফা বার্সেলোনা-কে যে সাজা দিয়েছে, তাকে ‘‘গুরুতর অন্যায়'' বলে অভিহিত করেছেন বার্সার প্রেসিডেন্ট জোসেপ মারিয়া বার্তোমেউ৷ বার্সা পর পর দু'টি ‘ট্রান্সফার উইনডো'-তে প্লেয়ার কেনাবেচার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে৷ সেই সঙ্গে ক্লাবটিকে দিতে হবে প্রায় পাঁচ লাখ ডলার পরিমাণ জরিমানা৷ বার্সা স্বভাবতই এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে এবং প্রয়োজনে কোর্ট অফ আর্বিট্রেশন ফর স্পোর্ট অর্থাৎ ক্রীড়া মধ্যস্থতা আদালত সিএএস'-এর দ্বারস্থ হবে বলে জানিয়েছে৷

গত বৃহস্পতিবারের সাংবাদিক সম্মেলনে বার্তোমেউ বিশেষ করে ক্লাবের লা মাসিয়া অ্যাকাডেমির সপক্ষে বক্তব্য রাখেন, বার্সেলোনার যে অ্যাকাডেমি থেকে লিওনেল মেসি, সাভি কিংবা আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা-র মতো প্লেয়াররা বেরিয়েছেন৷ ‘‘এই দণ্ডের মাধ্যমে ফিফা এমন একটি পদ্ধতিকে শাস্তি দিচ্ছে, যা গত ৩৫ বছর ধরে চলছে এবং যা এই ক্লাবের মর্ম,'' বলেছেন বার্তোমেউ৷

‘‘ফিফা জানে যে আমরা সব কাজ ভালোভাবে করি এবং শিশুদের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করি এবং তাদের এমন শিক্ষার সুযোগ দিই, যা হয়তো তারা নিজেদের দেশে কোনোকালে পেতো না৷ আমরা কোনোমতেই আমাদের এই শিক্ষাপদ্ধতি পরিত্যাগ করতে রাজী নই৷ আমরা অপ্রাপ্তবয়স্কদের অধিকার রক্ষা করেছি, করছি এবং চিরকালই সেই অধিকার রক্ষায় সচেষ্ট থাকব৷ হ্যান্ডস অফ লা মাসিয়া, আমরা আমাদের সদস্য ও সমর্থকদের এই বার্তাই জানাতে চাই: লা মাসিয়া-তে হাত দিও না৷... এই পদ্ধতি আমাদের ফার্স্ট টিম-কে বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষে তুলে দিয়েছে৷''

বার্সেলোনার লা মাসিয়া অ্যাকাডেমিতে আপাতত ১৮ জন বিদেশি প্লেয়ার প্রশিক্ষণ নিচ্ছে৷ তাদের মধ্যে সাতজন এসেছে ক্যামেরুন থেকে, তিনজন গিনি-বিসাউ থেকে, দু'জন মরক্কো থেকে, দু'জন দক্ষিণ কোরিয়া থেকে; এছাড়া নাইজেরিয়া, সেনেগাল, ফ্রান্স ও জার্মানি থেকে এসেছে একজন করে খেলোয়াড়৷

এসি/এসবি (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়