1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

লাশ ফেরত: মঙ্গলবার পতাকা বৈঠক

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বিজিবির সদস্য মিজানুর রহমানের লাশ হস্তান্তর করেছে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশ বা বিজিপি৷ লাশ শনাক্ত হওয়ার পর শনিবার সন্ধ্যায় হস্তান্তর করা হয়৷

default

শনিবার সন্ধ্যায় লাশ হস্তান্তর করা হয় (প্রতীকী ছবি)

বুধবার বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের নাইক্ষ্যংছড়ি এলাকায় মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষীদের গুলিতে তিনি নিহত হন৷

বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ লাশ হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, ‘‘লাশ হস্তান্তরের পর সীমান্তে শান্ত অবস্থা বিরাজ করছে৷ আগামী ৩ জুন দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠক হবে৷ এছাড়া ১০ জুন মিয়ানমারে বিজিবি-বিজিপির মহাপরিচালক পর্যায়ে বৈঠক হবে৷''

শনিবার বিকেলে নাইক্ষ্যংছড়ির ৫২ নম্বর পিলারে লাশ হস্তান্তর বিষয়ে বিজিবি ও মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির মধ্যে বৈঠক হয়৷ তবে দুপুরেই লাশ ফেরত দেয়ার কথা ছিল৷ কিন্তু তা না দেয়ায় বিকেলে আবার বৈঠক হয়৷ বৈঠকে লাশ ফেরত দিতে বিজিপি সম্মত হয়৷

এর আগে শনিবার সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত মিউ মিন্ট থানকে ডেকে এনে ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়৷ তাগিদ দেওয়া হয় সীমান্তে গুলিবর্ষণ বন্ধ এবং নিহত বিজিবি সদস্যের লাশ ফেরত দিতে৷ এর আগে বৃহস্পতি এবং শুক্রবার দু'দফায় তাঁকে তলব করা হয়েছিল৷

সীমান্তে উত্তেজনা

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে শুক্রবারও বিজিবির ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করেছে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী৷ জবাবে বিজিবিও পাল্টা গুলি ছুড়েছে৷ বেলা আড়াইটা থেকে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় আড়াই ঘণ্টা গুলিবিনিময় হয়৷ স্থানীয় সূত্র জানায় শনিবারও একই ধরণের গুলির ঘটনা ঘটে৷ বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, বিকেলে গোলাগুলি থেমে গেছে৷ বিজিবি সর্বোচ্চ সংযমের পরিচয় দিচ্ছে৷

এদিকে গত বুধবার থেকে সীমান্তে গুলিবিনিময়ের পরে শনিবার সকাল থেকে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ২০০ লোককে সরিয়ে নেয়া হয়েছে৷

বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্তে বিজিবির টহল বাড়ানো হয়েছে৷ মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে সেনা সমাবেশ করার খবরের ভিত্তিতে সীমান্তে বিজিবিকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে৷ কক্সবাজার ১৭ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার সাইফুল আলম বলেন, ‘‘আমরা মিয়ানমারে আরাকান রাজ্যে বিদ্রোহী দমনের নামে সেনা সমাবেশ ঘটানোর খবর পেয়েছি৷ বাংলাদেশ সীমান্তেও বিজিবিকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে৷ আমরা বিজিবির অতিরিক্ত টহল বাড়িয়েছি৷''

ঘটনার সূত্রপাত

দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয় দুই দিন আগে৷ বুধবার সকালে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে বিজিবির সদস্যরা টহল দেওয়ার সময় সীমান্তের ওপার থেকে বিনা উসকানিতে গুলিবর্ষণ শুরু করে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষীরা৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়