1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

লাদেন ইস্যুতে উত্তপ্ত মার্কিন-পাকিস্তান সম্পর্ক

অ্যাবটাবাদে লাদেনকে হত্যার পর উত্তপ্ত মার্কিন-পাকিস্তান সম্পর্ক৷ মার্কিন কর্তৃপক্ষ পাকিস্তানে আটক লাদেন পত্নীদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়৷ এদিকে, লাদেনের এক সন্তান তার পিতাকে ‘অযৌক্তিকভাবে হত্যা’র প্রতিবাদ করেছে৷

Technischer Hinweis: Waehrend der Aufnahme wurde die Kamera bei offener Blende gedreht. +++ Verschiedene arabische Zeitungen machen am Dienstag (03.05.11) in Berlin mit dem Tod des Terroristen Osama bin Laden auf. Selten loeste ein Einzelereignis ein solches Medienecho aus, wie die Toetung von Al-Kaida-Chef Osama bin Laden durch US-Soldaten in Pakistan. Kaum eine deutsche Zeitung, die am Dienstag ueber den verhassten Terroristen und seinen Tod nicht auf mehreren Seiten und ressortuebergreifend berichtete. Die Titelseiten gehoerten dem Mann ohnehin, der zur Symbolfigur des islamistischen Terrors wurde. (zu dapd-Text) Foto: Steffi Loos/dapd

লাদেন পত্নীদের জিজ্ঞাসাবাদের উদ্যোগ

পাকিস্তানে অবস্থানরত লাদেনের তিন পত্নীকে খুব শীঘ্রই জিজ্ঞাসাবাদ করবে মার্কিন গোয়েন্দারা, এমন আশা ব্যক্ত করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ৷ হোয়াইট হাউস ইতোমধ্যে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের সুযোগ প্রদানে পাকিস্তানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে৷ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীঘ্রই এই বিষয়ে অনুমতি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে৷ তবে পাকিস্তান জানিয়েছে, লাদেন পত্নীদের জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে এখনো কোন আনুষ্ঠানিক অনুরোধ করেনি যুক্তরাষ্ট্র৷ এমতাবস্থায়, দু'দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে পাকিস্তান সফরের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন সেনেটর জন কেরি৷ আগামী সপ্তাহে পাকিস্তান সফরে যাবেন তিনি৷ উদ্দেশ্য, দু'দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আবারো সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা৷

In this May 3, 2011, photo, media and local residents gather outside the house where al-Qaida leader Osama bin Laden was caught and killed, in Abbottabad, Pakistan. The nail-biting, 40-minute clandestine operation that resulted in Osama bin Laden’s death could have been a calamitous political and military failure; a bloodbath in Pakistan that left U.S. forces and scores of civilians dead or captured by America’s most ferocious enemy. (Foto:Anjum Naveed/AP/dapd)

অ্যাবটাবাদের এই বাড়িতে গত কয়েকবছর ধরে অবস্থান করছিল লাদেন

গার্ডিয়ানের দাবি অস্বীকার

ব্রিটেনের গার্ডিয়ান পত্রিকা দাবি করেছে, আফগানিস্তানের তোরা বোরা পাহাড় থেকে বিন লাদেন পালিয়ে যাওয়ার পর ২০০১ সালে একটি চুক্তি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পাকিস্তান৷ এতে উল্লেখ ছিল, যুক্তরাষ্ট্র আল-কায়দা নেতাদের ধরতে যেকোন সময় পাকিস্তানে অভিযান চালাতে পারবে৷ সেসময় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন পারভেজ মুশাররফ৷ এক ফেসবুক বার্তায় মুশাররফ গার্ডিয়ানে প্রকাশিত এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন৷ এমনকি এই বিষয়ে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাব্লু বুশের সঙ্গে কোন আলোচনাও হয়নি বলে জানান মুশাররফ৷

লাদেনের সন্তানের বিবৃতি

লাদেনের চতুর্থ সন্তান ওমর বিন লাদেন এক বিবৃতিতে, তার পিতাকে ‘অযৌক্তিকভাবে হত্যা'র প্রতিবাদ জানিয়েছে৷ লাদেনকে কেন জীবিত অবস্থায় আটক করা হয়নি, তা জানতে চেয়েছে ওমরের পরিবার৷ এছাড়া লাদেনের মৃতদেহ কিংবা ছবিভিত্তিক সাক্ষ্যপ্রমাণ দেখতে চেয়েছে তারা৷ অ্যাবটাবাদে লাদেনের আস্তানায় দোসরা মে'র মার্কিন অভিযানের পর উদ্ধারকৃত জীবিতদের ছেড়ে দেওয়া উচিত বলেও এই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে৷ উল্লেখ্য, মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে অ্যাবটাবাদে লাদেনকে হত্যার সময় সে নিরস্ত্র ছিল৷

প্রতিবেদন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়