1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

লন্ডন অলিম্পিকে নাইকির বাজার ছিনিয়ে নিতে চায় আডিডাস

জার্মান স্পোর্টস সামগ্রী প্রস্তুতকারক আডিডাস আগামী বছর লন্ডনে অনুষ্ঠিতব্য অলিম্পিক গেমসকে সামনে রেখে ব্যবসা করার পরিকল্পনা করছে৷ তারা যুক্তরাজ্যের বাজারে ১শ মিলিয়ন পাউন্ডের সামগ্রী বিক্রি করতে চায়৷

default

বাজার দখল করতে এগোচ্ছে আডিডাস

আর সাথে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী নাইকির কাছ থেকে বাজারের নেতৃত্বও হরণ করতে চায়৷ আডিডাসের প্রধান নির্বাহী হ্যর্বার্ট হাইনার লন্ডনে সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘২০১৫ সালের মধ্যে আমরা যুক্তরাজ্যের বাজারের নেতৃত্ব অর্জন করতে চাই, আর সেজন্যে অলিম্পিক একটা মজবুত স্তম্ভ৷'' বিশ্বের বৃহত্তম স্পোর্টসওয়্যার গ্রুপ নাইকি সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের স্পোর্টস পোশাক বাজারে প্রায় শতকরা ১৮ ভাগ শেয়ার অর্জন করেছে৷ যার অর্থমূল্য ৪.৩ বিলিয়ন পাউন্ড৷ যেখানে শতকরা ১৫ ভাগ শেয়ার নিয়ে আডিডাস রয়েছে দ্বিতীয় অবস্থানে৷

আডিডাস আয়োজক দেশগুলোর অ্যাথলিটদের জন্যে স্টেলা ম্যাককার্টনির নকশায় পোশাক প্রস্তুত করে এবং ২০১২ -র লন্ডন স্পোর্টস পোশাক পণ্য যুক্তরাজ্যে বিক্রির জন্যেও তৈরি করছে৷ যেখানে আডিডাসের তিন স্ট্রাইপের লোগোটি ব্যবহার করা হচ্ছে না৷

Olympischen Sommerspiele 2012 in London - Reaktionen in London

লন্ডনে অলিম্পিকের পাকা খবর পাওয়ার পর শহরের উচ্ছাস..

স্পোর্টসওয়্যারের আনুষ্ঠানিক অংশীদার হিসেবে আডিডাস অলিম্পিক ভিলেজে অ্যাথলিটদের জন্য পোশাক এবং স্বেচ্ছাসেবীদের পোশাকও প্রস্তুত করবে৷ প্রতিষ্ঠাতা আডি ডাসলারের আডিডাস ১৯২৮ সালের গেমসেও অ্যাথলিটদের জন্যে দৌড়ানোর জুতো তৈরি করেছিল৷ প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, লন্ডন ২০১২-র পণ্যসামগ্রী পর্যটন স্টোরগুলোতে ইতোমধ্যেই ভালো বিক্রি হওয়া শুরু হয়ে গেছে৷

আডিডাসের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়েছে, ফ্রান্স ও জার্মানিসহ ইউরোপের প্রধান বাজারগুলোতে ২০১২ সালের পণ্যসামগ্রী বিক্রির বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি আলোচনা চলছে৷ আশা করা হচ্ছে, আগামী বছরের শুরু থেকে ফ্রান্সে ২০১২-র স্পোর্টস সামগ্রী বিক্রি শুরু করতে পারা যাবে৷

প্রধান নির্বাহী হাইনার বলেন, লাইসেন্সের অধিকার কেনার যে খরচ, এবং মার্কেটিং দুটোর ব্যয়ই পৌঁছাবে প্রায় ১শ মিলিয়ন পাউন্ডে৷ তিনি বলেন, ‘‘ অবশ্যই যা আশা করা হয়েছিল ব্রিটেনের দলটি তারচেয়ে ভালো করছে৷''

প্রতিবেদন: ফাহমিদা সুলতানা

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়