1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

লন্ডনে নাদালকে হারিয়ে মধুর প্রতিশোধ নিলেন ফেদারার

ঊনত্রিশে এসেও নাদালকে হারিয়ে দিয়ে লন্ডন এটিপি খেতাব পকেটে পুরে নিলেন রজার ফেদারার৷ শেষের দিকে ক্লান্তিই আটকে দিল নাদালের বিজয়ের সম্ভাবনা৷

ফেদারার, নাদাল, জয়, পরাজয়, টুর্নামেন্ট, লন্ডন, ATP World tour, Rafael Nadal, Roger Federer, Victory, Sports, Tennis

কোর্টের মধ্যে ফেদারার আর নাদালের এই দোস্তি থাকে কী?

বছর শেষে ফেদারারই সেরা

বারবার পাঁচবার৷ বছরের শেষ টুর্নামেন্ট জিতে নেওয়া হয়ে গেল ফেদারারের৷ সেইসঙ্গে এটাও বোঝা গেল যে ২০১১ সালেও সমান তালে তাল রেখে নাদালকে চিন্তায় ফেলবেন তিনি৷ এই মুহূর্তে নাদাল ব়্যাঙ্কিং-এ এক নম্বরে৷ ফেদারার দুই-এ৷ কিন্তু সেই এক নম্বর জায়গাটার জন্য ঘাড়ের কাছেই নিঃশ্বাস ফেলবেন রজার ফেদারার৷

খেলাটা কেমন হল লন্ডনে

লন্ডন খেতাবের ফাইনাল খেলাটা হয়েছে রবিবার ঠাসা স্টেডিয়ামে৷ ও টু অ্যারিনায় টানা এক ঘন্টা ৩৭ মিনিটের খেলার ফলাফল শেষ পর্যন্ত ফেদারারের পক্ষে ৬-৩, ৩-৬, ৬-১৷ মানে প্রথম সেটটা জিতেছেন,

Roger Federer gewinnt Australian Open Flash-Galerie

বারবার পাঁচবার বছরের শেষ টুর্নামেন্ট জিতে নিয়েছেন ফেদারার৷

দ্বিতীয়টা একই ব্যবধানে হেরেছেন৷ আর তিন নম্বর সেট-এ পৌঁছে নাদালকে বিধ্বস্ত করে দিয়েছেন সুইস ফেদারার৷ এটিপি ওয়ার্ল্ড টুরের এই গ্ল্যামারাস ম্যাচের ফাইনাল নিয়ে এমনিতেই আগ্রহ ছিল৷ কারণ বিশ্বের এক আর দুই নম্বর এখানে মুখোমুখি৷ তার মানেই একটা শ্বাসরোধ করা খেলা৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসে ম্যাচটা সেই টানটান ভাব হারিয়ে ফেলে৷ তখন বোঝাই যাচ্ছিল, লড়াইতে ফিরে এসেও কেমন যেন পিছিয়ে যাচ্ছেন তুলনায় তরুণতর নাদাল৷

নাদাল কেন দম হারালেন

শনিবারেই এই টুর্নামেন্টের সেমি ফাইনালটা খেলেছেন নাদাল৷ প্রতিপক্ষ ছিলেন মার্কিন তারকা অ্যান্ড্রু মুরে৷ সেই খেলাটা চলেছে টানা তিন ঘন্টা৷ তারপরেই এই রবিবারের ফাইনাল৷ আর সেখানে উল্টোদিকে রজার ফেদারার৷ সেই একই ফেদারার যিনি ২০০৮ সালে এই লন্ডনেই নাদালের কাছে হেরে গিয়েছিলেন ফাইনালে৷ বিশ্ব টেনিসের মূলমঞ্চে নাদালের সেই বিজয়কে মহাকাব্যের জয় বা ‘এপিকাল ভিক্টরি' বলে ব্যাখ্যা করা হয়৷ ফেদারারের অব্যাহত জয়যাত্রাকে রুখে দিয়েছিলেন সেদিন তিনি৷ অতএব শনিবারের ক্লান্তিই রবিবারে নাদালকে কেমন যেন গোলমালে ফেলে দিয়েছিল৷ আর ফেদারার সেই সুযোগটাকে কাজে লাগাতে একটুও দেরি করেন নি৷

প্রতিবেদন: সুপ্রিয় বন্দোপাধ্যায়

সম্পাদনা: আরাফাতুল ইসলাম