1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

লন্ডনের ওপর৷ বাকি রয়েছে আর মাত্র ৭ দিন৷

ব়য়্যাল ওয়েডিং অর্থাৎ ব্রিটেনের রাজপরিবারের বিয়ের উৎসবের কারণে গোটা বিশ্বের নজর এখন লন্ডনের ওপর৷ বাকি রয়েছে আর মাত্র ৭ দিন৷

default

আর মাত্র ৭ দিন পর ব়য়্যাল ওয়েডিং

এ্যাশেজ টু এ্যাশেজ, ডাস্ট টু ডাস্ট, টীল ডেথ ডু আস পার্ট – খ্রিস্টানদের বিয়েতে এরকম একটি শপথ বাক্যের মধ্যে দিয়ে প্রতিশ্রুতি করিয়ে নেয়া হয় বর আর কনের কাছ থেকে৷ তবে এই প্রতিশ্রুতি অনেকেই শেষ পর্যন্ত রক্ষা করতে সক্ষম হন না৷

২৯ বছর বয়সের কেট মিডেলটন তার বিয়ের শপথ বাক্যে কিছুটা পরিবর্তন এনেছেন৷ শপথ বাক্য থেকে প্রিন্স উইলিয়ামের ‘আজ্ঞানুবর্তী হওয়া' শব্দগুলো তিনি বাদ দিয়েছেন৷ তিনি ভালবাসা, সম্মান, সহমর্মিতার মধ্যে দিয়ে প্রিন্সকে আগলে রাখবেন কিন্তু প্রিন্সের বাধ্য হয়ে থাকবেন না তা কেট জানিয়ে দিয়েছেন৷ ডেইলি মিরর তা প্রকাশ করেছে৷

বলা প্রয়োজন, লেডি ডায়না স্পেন্সারও এই শব্দগুলো বাদ দিয়েছিলেন তাঁর বিয়ের শপথ বাক্য থেকে৷

রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ গতকাল তাঁর পঁচাশি তম জন্মবার্ষিকী করেছেন৷ আর এক সপ্তাহের মধ্যে বিয়ে করতে যাচ্ছে নাতি এবং হবু রাজা প্রিন্স উইলিয়াম৷ তবে এখন পর্যন্ত পিতামহী রাণী এলিজাবেথ মিডলটন পরিবারকে প্রাসাদে নিমন্ত্রণ করেননি৷ কেট মিডলটনের বাবা-মায়ের সঙ্গে একান্তে সময় কাটাননি৷ এ নিয়ে দেশি-বিদেশি পত্রিকা বিস্ময় প্রকাশ করেছে৷

কেট মিডলটন আর প্রিন্স উইলিয়াম এই মুহূর্তে ওয়েস্টমিনিস্টার এ্যাবিতে রিহার্সালে ব্যস্ত রয়েছেন৷ এখানেই বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে৷ আশা করা হচ্ছে প্রায় আঠারশো নিমন্ত্রিত অতিথি থাকবেন৷ এছাড়া উপস্থিত থাকবে প্রায় ৮ হাজার সাংবাদিক৷

পরপর দুটি উৎসবের কারণে লন্ডনকে সাজানো হচ্ছে নতুন সাজে৷ রাস্তা-ঘাট, ফোয়ারা ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করা হচ্ছে৷ ইউনিয়ন জ্যাকের লাল, সাদা আর নীল রং দিয়ে সাজানো হচ্ছে ব্রিটেন৷ রাস্তার মোড়ে, শপিং মলগুলোতে শোভা পাচ্ছে পতাকা৷ যে রাস্তা দিয়ে বিয়ের পর বর-কনেকে ঘোড়ার গাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে সেই রাস্তাগুলো একটু বেশি যত্নের সঙ্গেই সাজানো হচ্ছে, পরিষ্কার করা হচ্ছে৷

১৯৮১ সালের পর আবারো ব্রিটেনকে নতুন করে সাজানো হচ্ছে, গোছানো হচ্ছে৷ যেন দেশটা আবার ফিরতে চলেছে প্রিন্স চার্লস আর লেডি ডায়ানার বিয়ের অনুষ্ঠানে৷

প্রতিবেদন: মারিনা জোয়ারদার

সম্পাদনা: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী