1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

লক্ষ্মণের ৯৬ আর বোলারদের সাফল্যে আশাবাদী ভারত

আলোক স্বল্পতায় তৃতীয় দিনের খেলা শেষ হলো চা বিরতির পর মাত্র এক ঘণ্টার মাথায়৷ দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১১১ রান৷ জয়ের জন্য চতুর্থ ইনিংসে ৩০৩ রান ধাওয়া করছে স্বাগতিকরা৷ তবে এখনও তাদের সামনে ১৯২ রানের উঁচু দেওয়াল৷

VVS, Laxman, bat, century, day, test, match, South Africa, Cricket, star, লক্ষ্মণ, ৯৬, বোলার, সাফল্য, আশাবাদী, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, ক্রিকেট, ধোনি, ডারবান, টেস্ট

ভাঙ্গিপুরাপ্পু লক্ষ্মণ

হাতে রয়েছে ৭ উইকেট৷ ক্রিজে আছেন জ্যাক ক্যালিস ও এবি ডি ভিলিয়ার্স৷ আর ডারবানে প্রোটিয়াসদের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ দাঁড় করিয়ে সিরিজে সমতা ফেরার স্বপ্ন দেখিয়েছেন ভাঙ্গিপুরাপ্পু লক্ষ্মণ৷ মাত্র ৪ রানের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত৷ তবু ৯৬ রানের ইনিংস খেলে তৃতীয় দিনের নায়ক লক্ষ্মণই৷

টেস্টের শুরু থেকেই একের পর এক আউট হয়ে ফিরছিলেন ব্যাটসম্যানরা৷ দ্বিতীয় দিনে চা বিরতির আগেই পতন ঘটে ১৪ উইকেটের৷ চা বিরতির পর আউট হন আরও চার ব্যাটসম্যান৷ সব মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা-ভারত দ্বিতীয় টেস্টে দ্বিতীয় দিনে উইকেট পড়ে ১৮টি৷ উইকেট পতনের সেই ধারায় তৃতীয় দিন অবশ্য কিছুটা ছেদ টেনেছেন লক্ষ্মণ৷

আগের দিনের ৪ উইকেটে ৯২ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করে ভারত৷ ভারতের দ্বিতীয় ইনিংসের একপ্রান্ত অটল দৃঢ়তায় আগলে রাখেন লক্ষ্মণ৷ আগের দিনের সংগ্রহের সাথে কোনো রান যোগ করতে পারেননি চিতেশ্বর পুজারা৷ এরপর অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি ও পরে জহির খানের সঙ্গে দু'টি জুটি গড়ে ভারতকে ৩০৩ রানের বড় লিড এনে দেন লক্ষ্মণ৷


জবাবে খেলতে নেমে দারুণ সূচনা করে স্বাগতিকরা৷ উদ্বোধনী জুটিতে ৬৩ রান তোলেন গ্রায়েম স্মিথ এবং অ্যালভিরো পিটারসেন৷ শ্রীশান্থর বলে উইকেট রক্ষক ধোনির হাতে ধরা পড়েন স্মিথ৷ তাঁর সংগ্রহ ৩৭ রান৷ এরপর ৮২ রনের মাথায় মাত্র চার বলেই ২ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা৷ ২৬ রান তুলে হরভজনের বলে পুজারার হাতে আউট হন পিটারসেন৷ এরপর ১৬ রানে শ্রীশান্থর বলে ধোনির হাতে ধরা খেয়ে মাঠ ছাড়েন আমলা৷ তবে দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগে আর কোনো বিপদ ঘটতে দেননি ক্যালিস ও ভিলিয়ার্স৷

ভারতের পক্ষে ৩০ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন শ্রীশান্থ৷ ২৯ রানে অপর উইকেটটি হরভজনের৷

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: জাহিদুল হক

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক