1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

রোহিঙ্গা সংকট

রোহিঙ্গাদের আগামী ছয় মাসের সংকট

বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের আগামী ছয় মাস ত্রাণ সরবরাহ করতে সাড়ে ৪৩ কোটি ডলার প্রয়োজন বলে আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলো জানিয়েছে৷ তারা বলছে, আশ্রিত রোহিঙ্গাদের বড় একটি অংশই শিশু৷ তাদের জীবন বাঁচানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ৷

গত ২৫ আগস্টের পর পাঁচ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা মিয়ানমার ছেড়ে আসায় বাংলাদেশে এখন মোট রোহিঙ্গা আছে আট লাখেরও বেশি৷ তবে রাখাইনে শান্তি না ফিরলে সংখ্যাটা ১২ লাখেরও বেশি হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে৷

বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী রবার্ট ওয়াটকিনস এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘‘কক্সবাজারের যে এলাকায় সবচেয়ে বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে, তাদের অনেকেরই অবস্থা বেশ করুণ৷ কেউ কেউ এক ধরনের ট্রমার মধ্যে আছে৷ ফলে সব মিলিয়ে কঠিন সময় পার করছে তারা৷’’

গত আগস্টে মিয়ানমার সামরিক বাহিনী যে অভিযান চালায় তার কারণে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়৷ তারপর থেকেই বিপুল সংখ্যক এই জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করতে হিমশিম খাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার ও মানবিক সাহায্যকারী সংস্থাগুলো৷

জাতিগতভাবে রোহিঙ্গাদের নির্মূল করার উদ্দেশ্যে অভিযান পরিচালনার অভিযোগ মিয়ানমার অবশ্য শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছে৷ তাদের দাবি, ২৫ আগস্ট আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (এআরএসএ) ৩০টি পুলিশ পোস্ট ও সেনা ক্যাম্পে হামলা চালানোর কারণেই এই সংকটের সৃষ্টি হয়৷

‘‘রোহিঙ্গাদের আগমন বেড়েই চলেছে, কাজেই বাড়তি সংখ্যা মাথায় রেখেই সাহায্য সংস্থাগুলো এখন পরিকল্পনা করছে,’’ জানালেন ওয়াটকিনস৷

সাহায্য সংস্থাগুলো বলছে, ৫ লাখের বেশি মানুষের জন্য খাদ্য আর ১ লাখের জন্য জরুরি ভিত্তিতে বসবাসের জায়গা প্রয়োজন৷

শরণার্থীদের অর্ধেকের বেশি শিশু, প্রায় ২৪ হাজার গর্ভবতী নারী, যাদের প্রসূতিকালীন সেবার ব্যবস্থা করা দরকার৷ 

তাদের মতে, ‘‘কেবল জীবন বাঁচাতেই এখানে বড় পরিসরে সহায়তা দরকার৷ অবিলম্বে পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ খাবার পানি, স্যানিটেশন আর পরিচ্ছন্ন পরিবেশের ব্যবস্থা করতে না পারলে নানা রকম রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশংকা আছে৷’’

এএম/এসিবি (রয়টার্স)

১৪ সেপ্টেম্বরের ছবিঘরটি দেখুন...

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়