1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

‘রোলিং স্টোন্স গ্যাদার নো মস’

সুপ্রাচীন ইংরিজি প্রবাদবাক্যটির অর্থ: গড়ানো পাথরে শ্যাওলা ধরে না৷ ব্রিটেনের রোলিং স্টোন্স যেন তার সত্যতাই প্রমাণ করেছে তাদের ‘ফিফটি অ্যান্ড কাউন্টিং’ ট্যুর শুরু করে৷ আজ পঞ্চাশ বছর ধরে গাইছেন মিক জ্যাগার ও তাঁর সঙ্গীরা৷

এলভিস প্রেসলি বিগত হয়েছেন বহুদিন হল৷ বিটলসরা অবসর নিয়েছেন বহু বছর আগে৷ কিন্তু বিটলসদের প্রতিদ্বন্দ্বী এই রোলিং স্টোন্স আজও জলসা করে চলেছেন৷ দলের মূল গায়ক মিক জ্যাগার'এর বয়স এখন ৬৯৷ চিরকালই রোগা ছিলেন, এখন তো অসম্ভব রোগা৷ গানের গলাও হয়তো আগের মতো নেই, অন্তত সে দাপট নেই৷ কিন্তু তাঁর স্বভাবসিদ্ধ সাপের মতো এঁকেবেঁকে নাচ আজও বদলায়নি৷

দলের বাকিদের মধ্যে কিথ রিচার্ডস'এর বয়স জ্যাগারের মতোই ৬৯৷ চার্লি ওয়াট তো ৭১৷ সবচেয়ে ছোট রনি উডস'ও কোন না কম ৬৫৷ কিন্তু আজও এঁরা পাক্কা দু'ঘণ্টার প্রোগ্রাম করার ক্ষমতা রাখেন, কোনোরকম ফাঁকফোকর না রেখে৷ শুক্রবার লস অ্যাঞ্জেলেসের স্টেপলস সেন্টারে ঠিক সেটাই করে দেখান মিক জ্যাগার অ্যান্ড কোম্পানি, তাঁদের ‘‘পঞ্চাশ এবং আজও চলেছে'' কনসার্ট পর্যায়ে৷

২০১২'র শেষে স্টোন্সরা স্টেজে তাদের ৫০ বছর পূরণ করেন৷ সেই উপলক্ষ্যে লন্ডন, প্যারিস, নিউ ইয়র্কে কয়েকটা জলসা করেছিলেন বটে৷ তা নাহলে দীর্ঘ ছ'বছর পরে স্টোন্সরা আবার কনসার্ট ট্যুরে৷ প্রথমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৯টি শহরে ১৭টি জলসা, ২১শে জুন অবধি৷ এ'সব তারিখ অর্থহীন কিংবা অর্থবহ হয়ে ওঠে এটা ভাবলে যে, স্টোন্সদের প্রথম আবির্ভাব লন্ডনের মার্কি ক্লাবে ১৯৬২ সালে৷ এই লস অ্যাঞ্জেলেসে স্টোন্সরা প্রথম জলসা করেন ১৯৬৫ সালে৷

২০১৩ সালেও মিক জ্যাগার'কে গাইতে শোনা গেল ‘‘গিমি শেল্টার'', পেইন্ট ইট ব্ল্যাক'' কিংবা ‘‘জাম্পিন' জ্যাক ফ্ল্যাশ''-এর মতো পুরনো হিট৷ জলসায় শ্রোতা-দর্শকদের মধ্যে তিন প্রজন্মের স্টোন্স ফ্যানদের দেখা যায়৷ গোলমাল ছিল শুধু এই যে, টিকিটের দাম গোড়ায় ২৫০ থেকে ৬০০ ডলার করায় বেশ কিছু টিকিট অবিক্রীত ছিল৷ পরে ৮৫ ডলার অবধি সস্তার টিকিট বাজারে ছেড়ে আসন ভরাতে হয়৷

জীবন্ত কিংবদন্তি হওয়ার গৌরব রোলিং স্টোন্সরা পেয়েছেন৷ অমর হতে গেলে যা লাগে, বিটলসদের মতো মিক জ্যাগার অ্যান্ড কোম্পানিরও সেটা আছে বলেই মনে হয়, যদিও তার চূড়ান্ত বিচার কালের হাতে৷

এসি / এসবি (এপি, রয়টার্স, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন