1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

রোলার-কোস্টার রেস্তোরাঁ

রোলার-কোস্টার রেস্তোরাঁ বলতে ভাববেন না যেন, কোনো বিনোদন পার্কের রোলার-কোস্টারে খাবার সার্ভ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে! বরং রেস্তোরাঁর ভিতরেই মিনিয়েচার রোলার-কোস্টারে করে খাবার কিচেন থেকে টেবিলে এসে পৌঁছাচ্ছে৷

default

রোলার-কোস্টারে করে এমন সব খাবার চলে যায় অতিথিদের কাছে

জার্মানির নুরেমবার্গেই সর্বপ্রথম এই ধরনের একটি রেস্তোরাঁ তৈরি হয়: সারা বিশ্বে প্রথম৷ আধুনিকতার এখানেই শেষ নয়: অর্ডার করতে হবে হাতের ট্যাবলেট কম্পিউটারে৷ খালি পেমেন্ট বিটকয়েনে হয় না, এই যা৷ যেন ভবিষ্যতের সায়েন্স ফিকশন জগত!

অথচ এর পিছনে মাধ্যাকর্ষণ ছাড়া আর কিছু নেই৷ রোলার-কোস্টার-এ করে খাবার আসছে কিচেন থেকে টেবিলে বসা গেস্টের কাছে৷

প্রতিটি চড়াই-ওৎরাই, ঢালু এবং বাঁক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে হিসেব করা, যাতে পানীয়ের বোতল আর খাবারের প্লেট ইত্যাদি অক্ষত অবস্থায় টেবিলে পৌঁছয়৷

মার্কেটিং ম্যানেজার মোনিকা গ্যোৎসমান বলেন, ‘‘আমরা নানা জিনিস পরীক্ষা করে দেখেছি: নানা ধরনের মেটিরিয়াল, বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল, নানা ধরনের চক্কর, এমনকি লুপিং পর্যন্ত৷ শেষমেষ সব কিছু ঠিকঠাক কাজ করছে৷''

রোলার-কোস্টার রেস্তোরাঁর আইডিয়াটা আসে রেস্তোরাঁর মালিকের মাথায়৷ তিনি রাঁধতে ভালোবাসেন কিন্তু পরিবেশন করতে নয়৷ ২০০৭ সালে তিনি তাঁর রোলার-কোস্টার প্রযুক্তি পেটেন্ট করিয়ে নিয়েছেন৷ ইতিমধ্যে অন্যান্য জায়গায় এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে৷

রেস্তোরাঁয় ঢোকার সময় গেস্ট-কে একটি ছোট ট্যাবলেট কম্পিউটার দেওয়া হয়৷

এখন থেকে তিনি প্রায় পুরোপুরি স্বনির্ভর৷ অর্ডার করতে গেলে ভাষা বেছে নিতে হবে৷ এক্ষেত্রে হয় জার্মান নয়তো ইংরিজি ভাষা৷ তারপর খাবার ও পানীয় বেছে নিয়ে তা ট্যাবলেটের স্ক্রিনে ‘কেনাকাটার চুবড়ি'-তে পুরে দিতে হবে৷ এর একতলা ওপরে রেস্তোরাঁর শেফ তাঁর কম্পিউটারের স্ক্রিনে সেই অর্ডার দেখতে পাচ্ছেন৷ রান্না-বান্না এখনও সাধারণভাবেই হয়৷ সবই অরগ্যানিক এবং পরিবেশসম্মত৷

অর্ডারের নম্বর ও আদ্যক্ষর দেখে শেফ বুঝতে পারেন, কোন টেবিল থেকে অর্ডারটা এসেছে৷ কাজেই শেফ জানেন, কোন ‘প্ল্যাটফর্ম' কিংবা ‘সাইডিং'-এ খাবারটা পাঠাতে হবে৷

কিচেন শেফ ক্লাউস শোয়াইগার বলেন, ‘‘এখানে কাজ করাটা খুব মজার, কিন্তু খুব কঠিন, কেননা আমাদের রেস্তোরাঁয় খদ্দেরের ভিড় লেগেই আছে৷ আমাদের দেখতে হবে, রেললাইনে চড়ে যে খাবার খদ্দেরের কাছে পৌঁছচ্ছে, তা যেন টপ কোয়ালিটির হয়৷''

ভবিষ্যতের সাই-ফাই রেস্তোরাঁয় এখনও কিছুটা লোকবল লাগে৷ অন্তত টেবিল থেকে কাপ-প্লেট সরানোর জন্য এখনও মানুষের প্রয়োজন৷ রেলে করে খাবার পাঠানোর প্রযুক্তি রপ্ত হয়ে গেছে, কিন্তু রোবোট দিয়ে টেবিল পরিষ্কার করাতে আরো কিছুদিন সময় লাগবে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়