1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘‘রোজায় যারা শিশু হত্যা করেছে তারা মুসলমান নয়’’

প্রায় পাঁচ মাস পর সিরিয়ার কুর্দি অধ্যুষিত কোবানি শহরে বৃহস্পতিবার হামলা করেছে জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট বা আইএস-এর জঙ্গিরা৷ হামলায় ৩৫ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে৷

নিহতদের মধ্যে কুর্দি যোদ্ধা সহ সাধারণ নাগরিক ও শিশু রয়েছে বলে জানিয়েছে লন্ডনভিত্তিক সংগঠন ‘সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস'৷

এর আগে প্রায় চারমাস কোবানি শহর নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার পর জানুয়ারিতে সেখান থেকে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিল আইএস জঙ্গিরা৷ যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে আকাশ থেকে চলা বিমান হামলার সুবিধা নিয়ে কোবানির স্থানীয় কুর্দি যোদ্ধারা আইএস জঙ্গিদের সেখান থেকে সরিয়ে দিতে সমর্থ হয়েছিল৷

কোবানি থেকে আইএস জঙ্গিদের চলে যাবার পর সেখানে কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে যোগ দেয় সিরীয় সেনাবাহিনী ছেড়ে আসা কর্মকর্তাদের সংগঠন ‘ফ্রি সিরিয়ান আর্মি' বা এফএসএ-র সদস্যরা৷ বৃহস্পতিবার সেই এফএসএ সদস্যদের পোশাক পরেই কোবানিতে হামলা শুরু করে আইএস যোদ্ধারা৷ ফলে হঠাৎ করে কুর্দি যোদ্ধারা কিছু বুঝে উঠতে পারেননি৷

এদিকে, এবার রোজার মাস শুরু হওয়ার পর এটাই আইএস এর প্রথম বড় কোনো হামলা৷ পবিত্র এই মাসে হামলা চালিয়ে নিষ্পাপ শিশুদের হত্যার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে টুইট করেছেন অনেকে৷ যেমন বারজানি এইচ. লিখেছেন, ‘‘যারা পবিত্র রোজার মাসে ঘুমন্ত শিশুদের হত্যা করে তারা মুসলমান নয়৷''

সিমন কাজিনস তাঁর টুইটে কোবানির হত্যাকাণ্ডকে ‘গণহত্যা' উল্লেখ করে বলেন, কোবানির হামলার কারণ আতঙ্ক তৈরি করা৷

কোবানিতে হামলার খবরটি শেয়ার করে মারিয়া হার্লিন কার্নেল বলেন, রোজার মাসে আইএস-এর এমন হামলা অনেকটা প্রত্যাশিতই ছিল৷

কোবানিতে ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেন জ্যাক শাহিন৷ তিনি টুইটারে একটি ছবি শেয়ার করেছেন৷ ছবিতে একজন মানুষকে তাঁর পরিবারের সদস্যদের মৃতদেহের পাশে বলে শোক করতে দেখা যাচ্ছে৷ ছবিটি শেয়ার করে শাহিন ইসলামি জঙ্গিদের হাত থেকে কোবানিকে মুক্ত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন৷

তুরস্কের কুর্দি অধ্যুষিত দিয়ারবাকির শহরে থাকা সাংবাদিক ফ্রেডেরিক গির্ডিঙ্ক-ও একই ছবি শেয়ার করেছেন৷

কয়েকমাস পর আইএস জঙ্গিরা কেন আবার কোবানিতে হামলা চালালো সেটা বোঝার চেষ্টা করেছে ফ্রান্স টোয়েন্টিফোর নিউজ চ্যানেল৷

সংকলন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়