1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

রোগ সারাতে গন্ধের ভূমিকা নিয়ে গবেষণা

বাগানে গেলে ফুলের গন্ধে মনটা যেমন আনন্দে নেচে ওঠে, তেমনি বাজারে গিয়ে পঁচা ঘ্রাণ পেলে মেজাজটা যায় খারাপ হয়ে৷ ঘ্রাণের এই বৈশিষ্ট্য কাজে লাগিয়ে এখনও অনেক কিছু আবিষ্কার করা বাকি আছে বলে জানাচ্ছেন এক বিজ্ঞানী৷

বলা হয়, গন্ধ মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখে৷ কেউ যদি দিনে তিনবার পাঁচ মিনিটের জন্য ঘ্রাণ নেয়ায় মনোযোগ দেয়, তাহলে সেটা তার স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়িয়ে দেয়৷ তাছাড়া ঘ্রাণ আমাদের অনুভূতিও ঠিক করে দেয়৷

শরতের পাতা হোক কিংবা ভালো কোনো খাবারের গন্ধ, কিংবা কারও মাতৃভূমির গন্ধ – আমরা সবাই গন্ধের ব্যাপারে সচেতন এবং সেগুলো মানুষের স্মৃতি ও আবেগের সঙ্গে জড়িত৷ গন্ধ বিরক্তিকর হতে পারে, আরাম কিংবা আনন্দেরও হতে পারে৷ গন্ধ নেবার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলা বেশ খারাপ৷

জার্মানির বোখুম বিশ্ববিদ্যালয়ের গন্ধ বিজ্ঞানী অধ্যাপক প্রফেসর হান্স হাট বলেন, ‘‘আমাদের অনুভূতিগুলোর কোনো একটা হারিয়ে ফেলা বেশ দুর্ভাগ্যের৷

যিনি গন্ধ নেবার ক্ষমতা হারিয়েছেন আপনি যদি তাঁকে সে বিষয়ে জিজ্ঞেস করেন তাহলে তিনি বলবেন, আমি ঐ ক্ষমতা ফিরে পেলে শোনা কিংবা দেখার শক্তি হারাতে প্রস্তুত৷

ঘ্রাণের অনুভূতি ছাড়া আমি খাবার চিনতে পারি না৷ ফলে আমি জানি না, আমি কী খাচ্ছি৷ আমি জানি না আমি কী পান করছি৷ তীব্র অনুভূতির সময় আমরা আমাদের চোখ বন্ধ রাখি, আর আমাদেরকে ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের কাছে সঁপে দেই৷''

হান্স হাট সবসময় ‘খোলা নাক' নিয়ে ঘুরে বেড়ান৷ এটা তাকে সম্পূর্ণ নতুন এক বিশ্বের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়৷ নাকে প্রায় সাড়ে তিনশ' ঘ্রাণ রিসেপ্টরের কারণে এখনও অনেক কিছু আবিষ্কার করা বাকি আছে, যেমন অসুস্থতা আর রোগ সারানোর ক্ষেত্রে সুবাস আর জৈব রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া হয়ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক