1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

‘রেফারি, এটা কি ফাইনাল ম্যাচ?’

বিশ্বকাপ ফাইনাল চলাকালে ঠিক এই প্রশ্নটিই করেছিলেন এক জার্মান ফুটবলার৷ রেফারি মনে করেছিলেন, সে বুঝি রসিকতা করছে৷ কিন্তু পরক্ষণই অনুধাবন করলেন, মাথায় জোরে আঘাত লাগায় এলোমেলো বকছে খেলোয়াড়টি৷

default

মাথায় আঘাত পাওয়ার পর ক্রিস্টফ ক্রামার

ব্রাজিলের মারাকানা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারায় জার্মানি৷ এই জয়ের সুবাদে ২৪ বছর পর আবারো বিশ্বকাপ ঘরে তোলে দেশটি৷ তবে ফাইনাল শুরুর আগে খানিকটা বিপাকে পড়েছিল জার্মান দল৷ মধ্যমাঠের খেলোয়াড় সামি কেদিরা খেলা শুরুর আগে প্র্যাকটিসের সময় আহত হন৷ ফলে তাঁর বিকল্প হিসেবে মাঠে নামেন ক্রিস্টফ ক্রামার৷

মাঠে নিরলস ভাবে দৌঁড়ানো এবং নির্ভুল ‘পাস' দেয়ার সুনামের অধিকারী ক্রামার৷ তবে দলের নিয়মিত খেলোয়াড় নন তিনি৷ খেলার ১৭ মিনিটে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের এসেকিয়েল গারাই-এর সঙ্গে ধাক্কা লাগলে মাথায় আঘাত পান ক্রামার৷

এরপর তিনি ম্যাচ রেফারি নিকোলা রিৎসোরি-র কাছে প্রশ্ন করেন, ‘‘রেফারি, এটা কি ফাইনাল ম্যাচ?'' রিৎসোরি মনে করেছিলেন ক্রামার বুঝি রসিকতা করছেন৷ কিন্তু একই প্রশ্ন আবারো করেন তিনি এবং বলেন, ‘‘আমার জানা প্রয়োজন, এটা সত্যিই ফাইনাল ম্যাচ কিনা৷'' তখন রেফারি জবাবে ‘হ্যাঁ' বলেন৷ আর ক্রামার রেফারিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এটা জানা জরুরি ছিল৷

বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান ইটালীয় রেফারি রিৎসোরি৷ তিনি নাকি তখনই জার্মানির আরেক খেলোয়াড় বাস্টিয়ান শোয়াইনস্টাইগারকে বিষয়টি জানিয়েছিলেন৷ তবে তারপরও ১৪ মিনিট মাঠে ছিলেন ক্রামার৷ এরপর তাঁর বদলে আরেক খেলোয়াড়কে মাঠে নামান জার্মান কোচ ইওয়াখিম ল্যোভ৷

বলাবাহুল্য খেলার মাঠে ফুটবলারদের মাথায় আঘাত লাগার এমন ঘটনা প্রায়ই ঘটে৷ কিন্তু ফুটবলে স্বল্প সময়ের জন্য বিকল্প আরেকজন খেলোয়াড় মাঠে নামানোর নিয়ম নেই৷ এখন এই নিয়মে পরিবর্তন আনার প্রশ্ন উঠেছে৷ কেননা সে ক্ষেত্রে আহত খেলোয়াড়কে কিছুটা সময় পরীক্ষার সুযোগ পাবেন চিকিৎসকরা৷ ফিফা-র মেডিকেল প্রধান ডগে এরকম ব্যবস্থা চালুর বিপক্ষে নন৷

এআই / এসবি (এপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়