রুশ বিমানের ২২৪ জন যাত্রী ‘হত্যা′ করেছে আইএস? | বিশ্ব | DW | 05.11.2015
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

রুশ বিমানের ২২৪ জন যাত্রী ‘হত্যা' করেছে আইএস?

যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেন বলছে, আইএস-এর রাখা বোমার কারণেই মিশরের সিনাই মরুভূমিতে রুশ বিমানটি ধ্বংস হয়ে থাকতে পারে৷ আইএস-ও বিমানটি ধ্বংস করার দায় স্বীকার করেছে৷ বিমানটির ২২৪ জন যাত্রীর কেউই আর বেঁচে নেই৷

গত ৩১ অক্টোবর ভোরে মিশরের শার্ম আল-শেখ বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে সিনাই মরুভূমিতে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যায় রাশিয়ার এয়ারবাস ৩২১-২০০ মডেলের একটি বিমান৷ বিমানটি রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরে যাচ্ছিল৷ কিন্তু মিশরেই বিধ্বস্ত হওয়ায় বিমানটির ২২৪ আরোহীর সবাই মারা যান৷

ইসলামি জঙ্গি সংগঠন আইএস এক অডিও বার্তায় রুশ বিমান ভূপাতিত করার দায়িত্ব স্বীকার করেছে৷

কীভাবে বিমানটি ধ্বংস করা হয়েছে তা পরবর্তীতে জানানো হবে বলেও অডিও বার্তায় বলা হয়েছে৷

আইএস এই প্রথম কোনো সাধারণ যাত্রিবাহী বিমান ধ্বংস করার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করল৷

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনও বলছে, বোমা বিস্ফোরণের কারণে রুশ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে৷ বিমানটিতে বোমা আইএস রেখেছে বলেই তাদের অনুমান৷ ব্রিটেনের দুর্যোগ পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বিশেষ কমিটির সভা শেষে সে দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিলিপ হ্যামন্ডও এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন৷

ভিডিও DW Video: Security fears in wake of Sinai plane crash

এদিকে পর্যটকদের শহর হয়ে ওঠা শার্ম আল-শেখ থেকে ওড়া বিমান বিধ্বস্ত হওয়ায় পর্যটকদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে শঙ্কা, আতঙ্ক৷ শুরু হয়ে গেছে ওই অঞ্চলে এমন ‘দুর্ঘটনার' পরিণাম বিশ্লেষণ৷

তবে মিশর সরকার সবাইকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছে৷ ইতিমধ্যে শার্ম আল-শেখ বিমানবন্দরের প্রধানকে অপসারণ করা হয়েছে৷

তবে এখনো শার্ম আল-শেখ বিমানবন্দরে সতর্কাবস্থা বিরাজ করছে৷ ব্রিটেনসহ কয়েকটি দেশ মিশর থেকে বা মিশর অভিমুখে বিমান চলাচল বন্ধ রেখেছে৷

ফলে অনেক পর্যটক আটকে পড়েছেন৷ ব্রিটেনসহ বেশ কয়েকটি দেশ সে এলাকায় বিমান চলাচল নিষিদ্ধ করেছে৷ ফলে মিশরে আটকে পড়েছে অনেক পর্যটক৷

তবে পর্যটকদের দুর্ভোগের কথা ভেবে দ্রুত বিমান চলাচল স্বাভাবিক করার উদ্যোগও চলছে৷ ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন এ বিষয়ে জরুরি বৈঠক করবেন বলেও টুইটারে জানিয়েছেন৷

সংকলন আশীষ চক্রবর্ত্তী

সম্পাদনা সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন