1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

রিজওয়ানার স্বামী ফিরলেও অপহরণের কারণ জানা যায়নি

অপহরণকারীরা দীর্ঘ ৩৫ ঘণ্টা পর বাংলাদেশ পরিবেশবাদী আইনজীবী সমিতি ‘বেলা’-র নির্বাহী পরিচালক সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের স্বামী আবুবকর সিদ্দিককে ছেড়ে দিলেও, অপহরণের কারণ জানা যায়নি৷ তাই সকলেই এখনও অন্ধকারে৷

পোশাক কারখানা হামিদ ফ্যাশন-এর কর্মকর্তা এবং সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের স্বামী আবুবকর সিদ্দিককে বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে দুর্বৃত্তরা নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে অপহরণ করে৷ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে পকেটে ৩০০ টাকা দিয়ে অপহরণকারীর তাঁকে মিরপুর আনসার ক্যাম্পের কাছে নামিয়ে দিয়ে যায়৷ এরপর পুলিশের সহায়তায় বাসায় ফেরেন তিনি৷ বলা বাহুল্য, এই ৩৫ ঘণ্টার পুরো সময়টাতেই তাঁর চোখ বেধে রেখেছিল দৃর্বত্তরা৷

ফিরে আসার পর আবুবকর সিদ্দিক শুক্রবার বিকেলে রিজওয়ানাকে সঙ্গে নিয়ে নারয়ণগঞ্জে যান পুলিশ পাহারায়৷ এরপর আবুবকর নারায়ণগঞ্জ আদালতে জবানবন্দিও দেন৷ তবে জবানবন্দিতে অপহরণের কারণ এবং অপহরণকারী সম্পর্কে তিনি কোনো তথ্য দেননি৷ আবুবকর অপহরণকরীদের ব্যাপারে কিছুটা বর্ণনা দিলেও তাদের পরিচয় তিনি জানেন না৷ এছাড়া পুরোটা সময় তাঁকে কোথায়, কিভাবে রাখা হয়েছিল – তাও বলতে পারেননি আবুবকর৷



উদ্ধারের পর শুক্রবার নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম জানান, ‘‘পুলিশের অব্যাহত তত্‍পরতা ও গণমাধ্যমের ফলাও প্রচারের কারণে ‘বেলা'-র নির্বাহী পরিচালক রিজওয়ানা হাসানের স্বামী আবুবকর সিদ্দিকের অপহরণকারীরা তাদের চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি৷ তবে অপহরণের কারণ সম্পর্কে এখনো ধোঁয়াশা রয়ে গেছে৷''

রিজওয়ানা বলেন, ‘‘ধরে নিয়ে যাওয়ার পর এক সেকেন্ডের জন্যও আবুবকরের চোখ খুলে দেওয়া হয়নি৷ কিন্তু কেন তাঁকে ধরে নিয়ে যাওয়া হলো, তা সম্পূর্ণ রহস্যাবৃতই রয়ে গেছে৷ তারা ‘মোটিভ ক্লিয়ার'' করেনি৷ অপহরণকারীরা নিজেরা নিজেরাই টাকার কথা বলছিল, তবে কেউ টাকা চায়নি৷ এমনকি তাঁর কাছে পরিবারের নম্বরও চায়নি৷''

তিনি বলেন, ‘‘টাকার জন্য এই অপহরণ করা হয়েছে বলে আমি প্রাথমিকভাবে মনে করছি না৷ প্রচণ্ড চাপের মধ্যে পড়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে৷'' প্রশ্ন হলো কিসের চাপ? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘গণমাধ্যমের চাপ তো ছিলই৷ এছাড়া প্রধানমন্ত্রী নিজে নির্দেশনা দিয়ে পুরো বিষয়টা তদারকি করছিলেন৷ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তত্‍পরতাও ছিল অনেক বেশি৷''

তিনি অবশ্য এ কথাও বলেন যে, ‘‘এটি এত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যেটার সুরাহা বা শেষ আমাদের করতেই হবে৷ এর মাধ্যমে গোটা ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হবেই৷'' রিজওয়ানা জানান, ‘‘অনিশ্চয়তার জগতে বাস করছিলাম৷ এখন উনি আমাদের কাছে ফিরে এসেছেন৷ উনি ভালো আছেন৷ তবে অনিশ্চয়তা এখনো পর্যন্ত যায়নি৷ ঘটনার সম্পূর্ণ সুরাহা এখনো হয়নি৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়