1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

রাষ্ট্রধর্ম বাতিলের সুযোগ ‘শেষ হয়ে যায়নি'

রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল করা সংক্রান্ত একটি পিটিশন খারিজ করে দিয়েছে বাংলাদেশের হাইকোর্ট৷ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এই নিয়ে মন্তব্য করেছেন অনেকে৷ কেউ কেউ এখনো আশাবাদী৷

২৮ বছর আগে করা একটি পিটিশন সোমবার মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে খারিজ করে দিয়েছে বাংলাদেশের হাইকোর্ট৷ আদালত মনে করছে, সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম বাতিল করার পিটিশন যে গ্রুপ করেছিল, তাদের তা করার এখতিয়ার নেই৷

আদালতের এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি ব্লগার বন্য আহমেদ৷ মুক্তমনা ব্লগের এই মডারেটর ফেসবুকে লিখেছেন, ‘‘সবাইকে অভিনন্দন! ইসলাম রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব এতদিন শুধু আমাদের সরকারেরই ছিল এবার আমাদের মাননীয় উচ্চ আদালতও সেই ঈমানী দায়িত্বে শরিক হইলেন৷ আর চিন্তা নেই, শান্তি-ভালোবাসার বেহেস্তি আমল কায়েম হইলো বলে৷''

বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের সমালোচনা করে বন্যা লিখেছেন, ‘‘এতদিন আওয়ামী সরকারকে নাকি ‘ফাইন লাইনে' হাঁটতে হইতো (আমি কই নাই কথাটা, আমাদের প্রধানমন্ত্রীর ছেলে কইসিলো রয়টারের সাক্ষাৎকারে গতবছর), হেফাজতিদের ডরে নাকি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে রাস্তায় খুন হয়ে পড়ে থাকা অভিজিতের বাবাকে ফোন করতে হইতো লুকায়াছুপায়া – আপদ নাস্তিকগুলা খুন হইলে মুখে স্কচটেপ মাইরা রাখতে হইতো – পাছে যদি হেফাজতিরা গোসা করে! যাক ওদের কষ্ট তো দূর হইলো, আমাদের ইহাতেই শান্তি৷''

বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন মনে করেন, রাষ্ট্রের কোনো ধর্ম থাকতে নেই৷ বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সক্রিয় বিতর্কিত এই লেখিকা টুইটারে লিখেছেন:

প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল করা হলে সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহের হুমকি দিয়েছিল উগ্র ইসলামপন্থি গোষ্ঠী হেফাজতে ইসলাম৷ তাদের সেই ঘোষণার পর রাষ্ট্রধর্ম বাতিলের পিটিশন খারিজ হয়ে যাক, যাকে বিজয় হিসেবে দেখছে গোষ্ঠীটি৷ ভারতের ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকার সাংবাদিক প্রবীণ স্বামী টুইটে তুলে ধরেছেন সেকথা:

আদালত পিটিশন খারিজ করায় এখন খানিকটা বিভ্রান্ত ভারতের রাজনীতিবিদ পরিমল নাথভানি৷ তাঁর প্রশ্ন, বাংলাদেশের পরিচয় এখন তাহলে কী?

লন্ডন প্রবাসী ব্লগার আরিফুর রহমান অবশ্য এখনো আশাবাদী৷ তিনি মনে করেন, আদালত পিটিশনটি যে কারণে খারিজ করেছেন, তার সঙ্গে এর বিষয়বস্তুর কোনো সম্পর্ক নেই৷ ডয়চে ভেলেকে তিনি বলেন, ‘‘দুঃখের বিষয় হলো, আইনি এই সাধারণ প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে না বুঝে সবাই বলছে ‘আদালত নাকি ইসলাম সমুন্নত রেখেছে৷' যেখানে আলোচনাই হয় নাই, সেখানে বিবেচ্য বিষয়ের ওপর আদালতের রায়ের কোনো প্রশ্নই আসে না৷ কাজেই সঠিকভাবে আগামীতে আবেদন দাখিল করলে আলোচনা হবে, এবং আশা করছি এই কলঙ্কজনক ২ক ধারা সংবিধান থেকে লোপ পাবে৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়