1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

যুক্তরাষ্ট্র

রাশিয়ার ‘ভূত' তাড়াতে পারছেন না ট্রাম্প

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পর অ্যাটর্নি জেনারেলকেও সম্ভবত হারাতে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ প্রশাসনের একাধিক ব্যক্তির রাশিয়ার সঙ্গে ‘অনৈতিক' যোগাযোগের অভিযোগ তীব্র হচ্ছে৷

নির্বাচনি প্রচারের সময় থেকে শুরু করে প্রেসিডেন্ট হবার পরেও রাশিয়ার ভূত কিছুতেই ট্রাম্পের ঘাড় থেকে নামছে না৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন প্রক্রিয়ার উপর কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের এমন অভূতপূর্ব প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ স্তিমিত হবার বদলে আরও বড় আকার ধারণ করছে৷ নির্বাচনি প্রচারের সময় থেকে ওয়াশিংটনে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি গোপন রাখার দায়ে এরই মধ্যে বিদায় নিতে হয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিন-কে৷ এবার একই অভিযোগের মুখে পড়ছেন অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশনস৷ রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে যোগাযোগের কথা স্বীকার করলেও আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে না৷

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, তিনি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে যোগাযোগের কথা জানতেন না বটে, তবে সেশনসের উপর তাঁর সম্পূর্ণ আস্থা আছে৷ ‘সম্পূর্ণ সৎ' এই মানুষটির বিরুদ্ধে বিরোধী ডেমোক্র্যাটিক দলের বিষোদগারের তীব্র সমালোচনা করেছেন তিনি৷ উল্লেখ্য, বিরোধীরা সেশনসের পদত্যাগের পাশাপাশি ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রচারের সঙ্গে যুক্ত সব ব্যক্তির সঙ্গে মস্কোর যোগাযোগের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করছে৷

এফবিআইসহ একাধিক মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এই অভিযোগের তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে৷ তাদের মতে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিনের সরাসরি নির্দেশে মার্কিন রাজনৈতিক জগতের উপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চলেছে৷ মার্কিন সংসদের ৪টি কমিটি এই অভিযোগ খতিয়ে দেখছে৷ তবে বিরোধী ডেমোক্র্যাটিক দলের অনেকে মনে করছেন, বিষয়টি ধামাচাপা দেবার চেষ্টা চলছে৷

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত নিউ ইয়র্ক টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত সের্গেই কিসলিয়াক গত ডিসেম্বর মাসে ট্রাম্প টাওয়ারে মাইকেল ফ্লিন ও ট্রাম্পের জামাই ও উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন৷ সেশনস তারও আগে, জুলাই ও সেপ্টেম্বর মাসে কিসলিয়াকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন৷ তবে তাঁর দাবি, প্রচার অভিযানের অংশ হিসেবে নয়, সাংসদ হিসেবেই তিনি বিশ্ব রাজনীতি সম্পর্কে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা করেছেন৷

এসবি/এসিবি (এএফপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়