1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

রামপাল বিতর্ক ও ‘সেভ সুন্দরবন' পিটিশন

রামপালে প্রস্তাবিত কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রতিবাদে মঙ্গলবার শুরু হয়েছে লংমার্চ৷ আয়োজক ‘তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি'৷ লংমার্চের পাশাপাশি ফেসবুক, ব্লগে চলছে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা৷

বাংলাদেশের প্রখ্যাত পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন ফেসবুকে ‘সেভ সুন্দরবন' নামের একটি পিটিশনের ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করে লিখেছেন, ‘‘আমরা চাই না আমাদের বন ধ্বংস হোক৷ আমরা শুধু তার (বন) কাছে সমর্পিত হতে পারি৷'' তিনি সবাইকে এই পিটিশনে স্বাক্ষর করার আহ্বান জানিয়েছেন৷

এদিকে সামহয়্যার ইন ব্লগে অপু তানভীর ‘গল্পঃ এক যে ছিল সুন্দরবন!' শিরোনামে লেখায় সুন্দরবনের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁর আশঙ্কার কথা তুলে ধরেছেন৷ তিনি বলতে চেয়েছেন, ভবিষ্যতে হয়ত এমন সময় আসতে পারে যখন নিজের ছেলেমেয়েদের ‘রয়েল বেঙ্গল টাইগার কোথায় পাওয়া যায়' এই প্রশ্নের উত্তরে বলতে হবে ‘ভারতীয় বনাঞ্চলের একটা অংশে!'

তবে সবাই যে এভাবে ভাবছে তা নয়৷ যেমন নাসিম রূপক ফেসবুকে লিখেছেন কাপ্তাইয়ে যখন জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কথা হচ্ছিল তখনও এভাবে প্রতিবাদ হয়েছিল৷ ‘‘কিন্তু যখন বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলো এবং সেই বিদ্যুৎ দেশের ও মানুষের উন্নয়নে যুক্ত হলো তখন কি সেই বিরোধিতাকারীরা সেই বিদ্যুৎ ভোগ করেনি? তারা কি বলেছিল নদীতে বাধ দিয়ে, অসংখ্য জনবসতি উচ্ছেদ করে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়েছে সেই বিদ্যুৎ এর সুবিধা আমি নেব না? সেই উৎপাদিত বিদ্যুতের উপর ভর করেই কিন্তু আমরা আজ এই পর্যন্ত এসেছি৷ সেই সামান্য ক্ষতির কথা কিন্তু আমরা ভুলে গেছি৷''

রূপকের এ ধরনের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে সেলিম বাশার লিখেছেন, ‘‘এটা কি ‘সামান্য' ক্ষতি বন্ধু! বৃহত্তর স্বার্থের কথা ভাব৷ তুমি কি জানো না যে, সুন্দরবন হচ্ছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশের প্রতিরোধ বেষ্টনীর মতো, আর অনেক মানুষের অর্থ আয়েরও উৎস সুন্দরবন?'' এছাড়া রাজু মাহমুদ লিখেছেন ‘‘এভাবে সবকিছুর অন্ধ সমর্থক না হলে বাংলাদেশে রাজনীতি করা যায় না তাইনা বন্ধু?''

সংকলন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়