1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

রাজ্য নির্বাচনে ম্যার্কেলের দলের সাফল্য

উত্তর জার্মানির ছোট্ট রাজ্য শ্লেসভিগ-হলস্টাইনের বিধানসভা নির্বাচনে চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সিডিইউ দল লক্ষণীয় ব্যবধানে জিতেছে৷ অথচ সামাজিক গণতন্ত্রীরা ২০১২ সাল থেকে এখানে ক্ষমতাসীন৷

রবিবারের নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে যে, সিডিইউ দল প্রায় ৩৩ শতাংশ ভোট পেয়েছে, যেখানে এসপিডি দল পেয়েছে ২৬ শতাংশের কিছু বেশি৷ সামাজিক গণতন্ত্রীরা সবুজ দল ও আঞ্চলিক এসএসডাবলিউ দলের সঙ্গে জোটে শাসন চালাচ্ছিল৷

এই ফলাফল প্রমাণ করছে যে, মার্টিন শুলৎস সভাপতি হবার পর এসপিডি দল যে ‘শুলৎস এফেক্ট’-এর আশা করছিল, এক্ষেত্রে তা ঘটেনি৷ অপরদিকে চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল যে জার্মান জনগণের চোখে আজও স্থিতি, সমৃদ্ধি ও সমস্যা সমাধানের সেরা গ্যারান্টি, সেটাও যেন পরোক্ষভাবে প্রমাণ হয়ে গেল৷

সবুজরা বাকি জার্মানিতে তাদের গড় প্রত্যাশার চেয়ে অনেক ভালো ফল করেছে, ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট, যা কিনা ২০১২ সালের তুলনায় সামান্য কিছু বেশি৷ কিন্তু মনে রাখা দরকার, সর্বাধুনিক জরিপ অনুযায়ী সবুজরা ফেডারাল পর্যায়ের নির্বাচনে সাড়ে সাত শতাংশের চেয়ে বেশি ভোট পাবে না৷

মুক্ত গণতন্ত্রী এফডিপি দল, যাদের আপাতত জার্মান সংসদে একটিও আসন নেই, তারা দৃশ্যত তাদের নেতা ক্রিস্টিয়ান লিন্ডনারের ‘লিন্ডনার এফেক্ট’-এর ওপর ঠিকই নির্ভর করতে পারে৷ এফডিপি দল শ্লেসভিগ-হলস্টাইনে তাদের ভোটের পরিমাণ ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়িয়ে ১১ দশমিক ৫ শতাংশে পৌঁছেছে৷

বামদল এবারেও পাঁচ শতাংশ ন্যূনতম ভোটের বেড়া পার হতে পারেনি, কিন্তু অভিবাসন বিরোধী এএফডি দল ৫ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেয়ে প্রথমবারের মতো এই রাজ্য বিধানসভায় ঢুকছে৷ এসএসডাবলিউ দল তাদের বিশেষ অবস্থিতির কারণে সাড়ে তিন শতাংশ ভোট পেয়েও বিধানসভায় কয়েকটি আসন পাবে৷

রাজ্যের সর্বোচ্চ সিডিইউ প্রার্থী ডানিয়েল গ্যুন্থার বলেছেন যে, তিনি সরকার গঠনের জন্য এফডিপি ও সবুজ, উভয় দলের সঙ্গেই কথা বলবেন৷ সেক্ষেত্রে তথাকথিত জামাইকা জোটের ৬৯ আসন বিশিষ্ট রাজ্য বিধানসভায় মোট ৪২টি আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকবে৷

আগামী সপ্তাহে জার্মানি সবচেয়ে জন বহুল রাজ্য নর্থ রাইন ওয়েস্ট ফালিয়ায় বিধানসভা নির্বাচন৷ প্রাক্তন রুর শিল্পাঞ্চল সম্বলিত এই রাজ্যটি চিরকালই সামাজিক গণতন্ত্রীদের পেটোয়া ছিল, কিন্তু শ্লেসভিগ-হলস্টাইনের ফলাফলের পর মুখ্যমন্ত্রী হানেলোরে ক্রাফ্ট তাঁর লাল-সবুজ সরকার বজায় রাখতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে - যদিও এসপিডি দলের মহাসচিব কাটারিনা বার্লে তা বিবেচনা করতে রাজি নন৷

শ্লেসভিগ-হলস্টাইনের ফলাফল সম্পর্কে এসপিডি সভাপতি মার্টিন শুলৎসের বক্তব্য: ‘‘এটা এমন একটা ঘটনা, যা আমাদের গভীরভাবে বিব্রত করেছে৷ আমরা সকলেই এর চাইতে ভালো ফলাফল আশা করেছিলাম৷’’

এসি/এসিবি (এএফপি, ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়