1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

রাজনৈতিক নেতাদের ঈদ রাজনীতি

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এবার তাদের নেতা-কর্মীদের ঈদে যার যার এলাকায় গিয়ে গণসংযোগ করার পরামর্শ দিয়েছিল৷ কারণ বিএনপি চায় আন্দোলন করতে, আর শাসক দল আওয়ামী লীগ চায় প্রতিহত করতে৷

ঢাকার পাশেই সাভার৷ সেই সাভারে এবার ঈদে বিএনপি নেতাদের দেখা যায়নি৷ আর আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ও নেতারা ঈদ পার করেছেন অনেকটা গোপনে৷ কারণ তাঁরা জানেন, দল যেহেতু ক্ষমতায় তাই নেতা-কর্মীরা সংসদ সদস্যদের কাছে ঈদে কিছু আশা করেন৷ সাধারণ মানুষেরও আশা আছে৷

সাভারের সাংবাদিক নাজমুল হুদা ডয়চে ভেলেকে জানান, বিএনপি নেতারা মামলার অজুহাতে জনসংযোগে বের হননি৷ আর সরকারি দলের নেতারা টাকা খরচ হওয়ার ভয়ে৷ সবাই পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেয়ার পক্ষে৷ আগাম কোনো খরচ বা ঝামেলায় যেতে চান না তাঁরা৷

কুড়িগ্রামের সাংবাদিক সালেহীন বিপ্লব জানিয়েছেন, সেখানকার সংসদ সদস্যরা জাতীয় পার্টির৷ তাই আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে ঈদে মাঠে দেখা যায়নি৷ সদরের এমপি এবং হুইপ তাজুল ইসলাম ঈদে কুড়িগ্রাম গেলেও গণসংযোগে তাঁর আগ্রহ ছিল না৷ স্থানীয় নেতা-কর্মীরা বাসায় গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন৷

চট্টগ্রামে বিএনপি নেতা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে এই ঈদে বেশ সক্রিয় দেখা গেছে৷ আর খুলনায় কোনো দলের নেতাই তেমন সক্রিয় ছিলেন না৷

তবে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঈদের আগে রাস্তাঘাট নিয়ে যেমন দৌড়ঝাঁপ করেছেন৷ তেমনি ঈদে তাঁর নির্বাচনি এলাকা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ছিলেন সক্রিয়৷ সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি৷ ঈদের পরদিন বুধবার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাটে দলীয় কর্মীদের নিয়ে সভাও করেন৷ সেখানে তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের অহিংস আন্দোলনের জবাব সরকার অহিংসভাবেই দেবে৷ কিন্তু আন্দোলন সহিংস হলে তার সমুচিত জবাব দিতে সরকার প্রস্তুত৷ মন্ত্রী দলের স্থানীয় নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সবাইকে টিমওয়ার্কের স্পিরিট নিয়ে কাজ করতে হবে৷

এদিকে পাশের জেলা লক্ষীপুরে সক্রিয় আছেন বিএনপি নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি৷ তিনি বুধবার দুপুরে সেখানে এক সংবাদ সম্মেলন করেন৷ সেই সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, তাদের নেতা-কর্মীদের বাড়িঘর ও দোকানপাটে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করছে আওয়ামী লীগের লোকজন৷ উল্লেখ্য, লক্ষীপুর সদর উপজেলার আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ইউসুফ আলী সেলিমকে হত্যার জের ধরে সেখানে এখন উত্তেজনা চলছে৷

আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিন ঢাকায় রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় নেতারা৷ তাই তাঁদের প্রায় সবাই ঈদের দিন মঙ্গলবার ঢাকায় ছিলেন৷ বুধবার অনেকেই যার যার নির্বাচনি এলাকায় চলে গেছেন৷

একই কথা বলেন বিএনপি নেতারা৷ তাঁরা জানান ঈদের দিন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান কেউ মিস করতে চাননি৷ ঈদের পরদিন অনেকেই ঢাকা ছেড়েছেন৷ তবে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা এলাকায় গণসংযোগে বড় বাধা বলে জানান তাঁরা৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়