1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের রাখার খরচ দেবে কে?

জার্মানিতে প্রতিটি রাজ্য তাদের কোটা অনুযায়ী রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের নেয় এবং বসবাসের ব্যবস্থা করে থাকে৷ এই উদ্বাস্তু শিবিরগুলিতে একাধিক মারধোরের ঘটনার পর রাজ্যগুলি কেন্দ্রের কাছ থেকে আরো অর্থ দাবি করেছে৷

জার্মানিতে শরণার্থী – অর্থাৎ রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের সংখ্যা বেড়ে চলেছে এবং এ বছর তিন লাখে গিয়ে দাঁড়াতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে৷ এর অর্থ, এই সব উদ্বাস্তুদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করতে রাজ্য সরকার এবং পৌরসভাগুলির খরচ বাড়বে৷ কাজেই তারা ফেডারেল সরকারের কাছ থেকে আরো বেশি অর্থসাহায্য দাবি করছে৷ বিশেষ করে উদ্বাস্তু-শরণার্থীরা যখন কোনো রাজ্যে প্রথম এসে পৌঁছন, তখন তাদের প্রাথমিকভাবে রাখার জন্য আবাস তৈরির কাজে ফেডারেল সরকারের সাহায্য কামনা করা হচ্ছে৷

জার্মানির শহর ও পৌর এলাকা সমিতির তরফ থেকে বলা হয়েছে যে, উদ্বাস্তুদের প্রাথমিক আবাসগুলি পুরোপুরি ভর্তি হয়ে গেছে এবং পৌর এলাকাগুলিকে নিজেদের প্রচেষ্টায় অন্যত্র জায়গা খুঁজতে হচ্ছে, যেখানে বাড়তি উদ্বাস্তুদের রাখা সম্ভব৷ অপরদিকে লোয়ার স্যাক্সনি রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস পিস্টোরিউস ফেডারাল সরকারের প্রতি উদ্বাস্তুদের চিকিৎসা সংক্রান্ত খরচের ভার নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন৷ এছাড়া বর্তমান প্রণালীতে আমলাতন্ত্রের বাড়াবাড়ি আছে: উদ্বাস্তুরা ডাক্তারের কাছে যাবার আগে তাদের পৌর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ‘‘চিকিৎসাপত্র'' নিতে হয়৷ এর পরিবর্তে উদ্বাস্তুদের সরকারি স্বাস্থ্য বিমা সংস্থাগুলির সদস্য করে নেওয়া উচিত বলে প্রস্তাব দেন পিস্টোরিউস৷

পিস্টোরিউস এছাড়া দাবি করেন যে, রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের আবেদনগুলির আরো তাড়াতাড়ি নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন৷ একমাত্র লোয়ার স্যাক্সনি-তে এক লাখ চল্লিশ হাজার আবেদন এখনও পড়ে রয়েছে, বলে তিনি জানান৷ অথচ আবেদনকারীদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে৷ রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের আবেদনগুলি বিবেচনা করার জন্য আরো বেশি কর্মী দরকার৷ স্যাক্সনি-র স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কুস উলবিশ-এর প্রস্তাব হলো: সরকার যখন বলেছেন যে, তিন মাসের মধ্যেই রাজনৈতিক আশ্রয় প্রদান সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে – তখন চতুর্থ মাস থেকে উদ্বাস্তুদের আবাসনের ব্যয় কেন্দ্রীয় সরকারের বহন করা উচিত৷

সবুজ দল পৌর প্রশাসনগুলির প্রতি সরকারের তাৎক্ষণিক সাহায্য হিসেবে একশো' কোটি ইউরো দাবি করেছে৷ বামদলের মনোভাব হল, নানা বাধা সৃষ্টি করে উদ্বাস্তুদের স্রোত রোখার চেষ্টা করে কোনো লাভ নেই, বরং তাদের শীঘ্র ইন্টিগ্রেশন বা ‘‘অন্তর্ভুক্তি''-র জন্য সচেষ্ট হওয়া উচিত৷

এসি/এসবি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়