1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

রাজনৈতিক অস্থিরতার উত্তাপ ফেসবুকে

বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার উত্তাপে গরম ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতা৷ অবরুদ্ধ খালেদা জিয়া, তারেকের বক্তব্য প্রকাশের নিষেধাজ্ঞা আর ইটিভি চেয়ারম্যানের গ্রেপ্তার নিয়ে মন্তব্য করেছেন অনেক পাঠক৷

প্রতিক্রিয়া মিশ্র৷ বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্য বিএনপি-র সমাবেশ, অবরোধ ঘোষণাকে দায়ী করছেন কেউ কেউ৷ অনেকে আবার সভা, সমাবেশের মতো গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের জন্য সরকারকে দায়ী করছেন৷ পাশাপাশি ইটিভি চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তারের বিষয়টিও অনেকে দেখছেন গণমাধ্যমের উপর হস্তক্ষেপ হিসেবে৷

ডয়চে ভেলের পাঠক সাদিক খান ফেসবুকে লিখেছেন, ‘‘সমাজ বিজ্ঞানে পড়েছিলাম সরকার এবং রাষ্ট্র আলাদা৷ সরকার রাষ্ট্রের উপাদান মাত্র৷ সুতরাং সরকারবিরোধী মানে রাষ্ট্রবিরোধী না৷ তারা রাষ্ট্রদ্রোহের কী করলেন আমার বুঝে আসেনা? এই ভাবে রাষ্ট্রকে রাজনীতির স্বার্থে ব্যবহার করা উচিত না৷'' সোহেল তালুকদার লিখেছেন, ‘‘তারেক রহমান ও আবদুস সালাম নয়, বর্তমান সরকারের সময় যে কেউ সত্য কথা বললে রাষ্টদ্রোহি মামলার আসামি হতে পারেন৷''

ডয়চে ভেলের পাঠক ফারহানা শারমিন উর্মি মনে করেন, ‘‘তারেকের বক্তব্য সম্প্রচার নিয়ে কোর্টের নিষেধাজ্ঞার কারণে আমার মনে হয় বিএনপিরই লাভ হল৷ তার কারণে বিএনপিকে নতুন করে বিব্রতকর অবস্থাতে পড়তে হবেনা৷ এবং আওয়ামী লীগেরও কিছুটা লস হল৷ কারণ এই তারেকের কারণেই বিএনপিকে ছাই দিয়ে শক্ত করে ধরতে পেরেছে আওয়ামী লীগ জনসভা করতে দেয়া না দেয়া নিয়ে৷''

এদিকে, উত্তাপ ছড়াচ্ছে টুইটারেও৷ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম, মানবাধিকার সংগঠনের বাংলাদেশ বিষয়ক প্রতিবেদন, উদ্বেগ শেয়ার করছেন অনেকে৷ শুক্রবার সবচেয়ে বেশি টুইট হয়েছে বিরোধী দলের ওপর ‘দমন-পীড়ন' বন্ধে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের আহ্বান৷ পাশাপাশি অ্যামনেস্টির উদ্বেগের কথাও টুইট করেছেন অনেকে৷

উল্লেখ্য, গত পাঁচ জানুয়ারি বাংলাদেশের দশম জাতীয় নির্বাচনের এক বছর পূর্তিতে সমাবেশ করতে চেয়েছিল বিএনপিসহ বিশ দল৷ কিন্তু সমাবেশকে কেন্দ্র করে খালেদা জিয়াকে তাঁর গুলশান কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখে পুলিশ৷ এছাড়া ঢাকায় সভা, সমাবেশও নিষিদ্ধ করা হয়৷ সবমিলিয়ে রাজনৈতিক সহিংসতায় বছরের প্রথমেই প্রাণ হারিয়েছে কমপক্ষে সাত ব্যক্তি৷

সংকলন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন