1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

রাজনৈতিক অঙ্গন ফের উত্তপ্ত বাংলাদেশে

বিএনপি-র সিরাজগঞ্জ সমাবেশ, তার ঠিক আগে ট্রেনে কাটা পড়া এবং বিক্ষোভ, এইসব কিছু ঘিরে ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজনীতির অঙ্গন৷ মঙ্গলবারের সংবাদপত্রের পাতায় এসবই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে প্রধান শিরোনাম৷ সঙ্গে বাস উদ্ধারের খবর৷

রাজনৈতিক,বাংলাদেশ,বিএনপি,সিরাজগঞ্জ,রেল দুর্ঘটনা,আওয়ামী লীগ,খালেদা জিয়া, Khaleda Zia, Bangladesh, BNP,Awami League, Train Accident

এবার ছাত্রসমাজকে আন্দোলনে নামতে ডাক দিলেন খালেদা জিয়া (ফাইল ছবি)

সিরাজগঞ্জ, রেল ‘দুর্ঘটনা' আর বিএনপি

দৈনিক ইত্তেফাক, কালের কন্ঠ থেকে শুরু করে প্রায় সবকটি সংবাদপত্রের প্রধান খবর সিরাজগঞ্জের রেল কান্ড৷ যেখানে ট্রেনে কাটা পড়ে সাতজন বিএনপি সমর্থকের মৃত্যু এবং তারপরে ট্রেনে অগ্নিসংযোগ, লুঠপাটের খবর রয়েছে৷ এই দুর্ঘটনায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং বিরোধী দল বিএনপি পরস্পর পরস্পরকে দোষারোপ শুরু করেছে৷ বিরোধী নেত্রীর দাবি, ইচ্ছা করেই দুর্ঘটনা ঘটিয়েছে সরকার৷ উদ্দেশ্য ছিল সিরাজগঞ্জে আয়োজিত বিএনপির জনসভা বানচাল করা৷ রেল কর্তৃপক্ষ বলছে, ট্রেনটি নিয়ম মেনেই চলছিল৷ লাইনের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা জনসভার লোকজন নিজেদের গাফিলতিতে মারা পড়েছেন৷ প্রসঙ্গত, ইত্তেফাকের খবর, এই কাটা পড়া এবং জনরোষ মিলিয়ে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়৷ সড়কপথেও যানজট দেখা যায়৷

রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান খালেদা জিয়ার

বিরোধী নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদে ট্রেন দুর্ঘটনাকে 'পরিকল্পিত' বলে দাবি করে 'খুনি সরকারকে রুখে দাঁড়ানোর' আহ্বান জানিয়েছেন, বলছে বিডিনিউজটোয়েন্টিফোর৷ সোমবার নাটোরের বনপাড়া বাজারে নিহত বড়াইগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ নূর বাবুর স্মরণসভায় তিনি আরও যে নতুন আহ্বান জানিয়েছেন, তা হল ছাত্রসমাজের উদ্দেশ্যে৷ খালেদা জিয়া ছাত্রদের উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘দেশের কোনো কিছুই ঠিক মতো চলছে না৷ ব্যর্থ সরকারকে হঠাতে ছাত্রসমাজকে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে হবে৷ আমরা যে কর্মসূচি দেব, তাতে তোমরা শরিক হবে৷' জনবিরোধী সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্র ফিরে আসবে বলে মন্তব্য করেন বিরোধী নেত্রী৷

তুরাগের তীরে চল্লিশ কফিন

গত রবিবার নদীতে ডুবে যাওয়ার বত্রিশ ঘন্টা পরে নদীর তলায় একটি গর্তে আটকে থাকা অভিশপ্ত বাসটির সন্ধান পেয়ে যান উদ্ধারকারীরা৷ সব পত্রপত্রিকাতেই রয়েছে এই খবর৷ বলা হয়েছে, ডুবুরিদের অনুমান, বাসের মধ্যে অন্তত পঞ্চাশটি মৃতদেহ আছে৷ সোমবার রাতে একটি মৃতদেহ তোলা হয় নদীর গভীর থেকে৷ বাসটি ৩৮ ফুট নীচে রয়েছে৷ প্রথমে ড্রেজারের সাহায্যে বাসটি তোলার চেষ্টা করা হয়৷ তাতে কাজ না হওয়ায় চেন কপ্পা ব্যবহার করা হচ্ছে এবং তার ফলে বাসটিকে পাঁচ ফুট ওপরে আনা গেছে৷ এদিকে নদীর তীরে স্বজনহারাদের শোকে বাতাস ভারী৷ ইতিমধ্যে চল্লিশটি কফিনও এসে পৌঁছে গেছে মৃতদেহগুলির জন্য৷

গ্রন্থনা: সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়

সম্পাদনা: সাগর সরওয়ার