1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘রাজনীতির নামে এসব সন্ত্রাসী কার্যক্রম এখনই বন্ধ করা দরকার'

অবরোধ আর হরতাল, পেট্রোল বোমা, গণপিটুনি আর বন্দুকযুদ্ধে নিহত,আহত কত মানুষ৷ এ অবস্থায় দেশের মানুষ রাজনীতির নামে এসব সন্ত্রাসী কার্যক্রম আর চাননা৷ ডিডাব্লিউর ফেসবুক পাতায় পাঠকবন্ধুরা এসব মন্তব্যই উঠে এসেছে৷

ফেসবুক বন্ধু মো.তুষার বলছেন, ‘‘যতোদিন হাসিনা গদি না ছাড়বে, ততদিন এ অবস্থা থাকবে৷''

রিয়াজ উদ্দিনের মন্তব্য,‘‘ যতদিন হাসিনা আর খালেদার পার্টি বাংলার মানুষ ছাড়বেনা তত দিন বাংলার মানুষ শান্তি পাবেনা৷''

এর উত্তরে ফেসবুক পাঠক ওমর ফারুক চঞ্চল জানিয়েছেন, ‘‘কেউ ভিন্নমত পোষণ করলে সে ভালোনা, সে রাজাকার, সন্ত্রাসী ইত্যাদি৷ আসলে ক্ষমতার লোভই মূল সমস্যা৷''

এমটি ইসলাম দেশের পরিস্থিতি নিয়ে সত্যিই অতিষ্ঠ৷ তাঁর নিজেরই এখন প্রশ্ন, আর কতদিন ?

রাসেল মিয়া দেশের এই অবস্থা নিয়ে খুবই শঙ্কিত, ভীত৷ তাঁর মন্তব্য,‘‘হায়রে আমরা কি মানুষ না পশু মানুষ? কী রকম রাজনীতি করে৷ কেউ মরছে বোমার আঘাতে আর কেউ মরছে গুলির আঘাতে৷ তাঁর অনুরোধ, প্লিজ, দয়াকরে এইসব থেকে ফিরে আসুন, নয়তো বাংলাদেশ একদিন বিলীন হয়ে যাবে৷''''

টানা অবরোধ আর হরতালে এ পর্যন্ত ১১৪ জন নিহত হয়েছে৷ তাদের মধ্যে পেট্রোল বোমায় ঝলসে গেছে ৬১ জনের জীবন, গণপিটুনি আর বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন ৩০ জন৷ এসব আর কতদিন?

ফেসবুকে এই পোস্টটি দেখে মন্তব্য করেছেন প্রায় ৫০জন বন্ধু৷ শেয়ার হয়েছে প্রায় ১০০বার৷ আর পোস্ট দেখেছেন, ৫০ হাজারেরও অধিক বন্ধু৷ এ সম্পর্কে পাঠক অভিজিৎ হাওলাদার তাঁর মত জানিয়েছেন এভাবে, ‘‘যতদিন রাজাকার বিএনপি আর জামায়াত থাকবে ততদিন এ অবস্থাও থাকবে৷

পাঠক জুয়েল জহিরের মতও অনেকটা এরকম৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘এটাই বিএনপি জামাতের রাজনৈতিক অধিকার৷''

‘‘বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে বিরোধী রাজনীতিকদের দমনে বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ডে উৎসাহ দিচ্ছে সরকার৷ এমন হত্যাকান্ডে জড়িত ব্যক্তিদের অব্যাহতিরও ঘোষণা দেয়া হয়েছে৷ বিরোধীদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে গণমাধ্যমে বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে৷'' বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা সম্পর্কে ওপরের মন্তব্যটি করেছেন পাঠক শেখ৷

পাঠক মুশকিল আহসান বাবা নিশ্চিত যে ‘‘এই হত্যার দায় আওয়ামী লীগের নেত্রী এড়াতে পারবেননা৷''

আসাদুল ইসলাম নিরপেক্ষ নির্বাচনে বিশ্বাসী, তিনি মনে করেন নির্বাচন দিলেই সব বন্ধ হবে৷

শামীম তোরাব নিজেই জানতে চান, আর কতদিন চলবে এ অবস্থা?

ফেসবুক পাঠক রুহুল ইসলাম লিখেছেন ‘‘খালেদা জিয়া তো সাতদিন আদালতে গেছেন, নভো থিয়েটার মামলায় গত ৪ বছরে, হাসিনা একদিন ও আদালতে যান নাই, এই কথা কয়জন জানে?''

মো.সুজন মিয়া বাংলাদেশের এই অশান্ত পরিস্থিতির জন্য সরাসরি সরকারকেই দায়ী করেছেন৷ ফকরুল ইসলাম দেশের গণতন্ত্র নিয়ে সন্দীহান৷ তিনি মজা করে জানতে চেয়েছেন, গণতন্ত্র কী ?

আবদুল্লাহেল ফরিদ মনে করেন, ‘‘নির্বাচনের আগে বিএনপি আলোচনায় বসলে আজ এই অবস্থার সৃষ্টি হতোনা৷ এই দুই মাসের মানুষ হত্যার আন্দোলনে বিএনপি জামায়াতের অর্জন৷ আমার তো মনে হচ্ছে, এই তথাকথিত গণতন্ত্র উদ্ধারের আন্দোলন ২০১৯ পর্যন্ত চলবে৷''

অন্যদিকে জেনাত মহল মিশোর বলছেন,‘‘গণতান্ত্রিক জাতি স্বৈরশাসক মেনে নিতে পারেনা...৷''

ফজলে মনির চৌধুরী মনে করেন ‘‘প্রাধান্য দিতে হবে দেশের মানুষের নিরাপত্তাকে'' তিনি আরো লিখেছেন৷ ‘‘প্রতিদিন সাধারণ মানুষ আগুনে পুড়ছে, সন্ত্রাসীদের পেট্রোল বোমায় মানুষের শরীর আগুনে ঝলসে যাচ্ছে৷ রাজনীতির নামে এই সব সন্ত্রাসী কার্যক্রম এখনই বন্ধ করা দরকার৷''

পাঠক অভিজিৎ জানিয়েছেন, ‘‘আওয়ামী লীগ লুটপাটের টাকার ভাগ বিএনপিকে দিলে নাকি একটা লাশও পড়তো না৷''

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন