1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

রাজনীতির আঁধার কাটাতে ‘আলোর মিছিল'

বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় প্রাণহানির খবর এখন দেশিবিদেশি মিডিয়ায় প্রতিদিন প্রকাশ হচ্ছে৷ দুর্বৃত্তের ছোড়া পেট্রোল বোমার আগুনে পুড়ে আহত, নিহতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে৷ এবার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে একদল মানুষ৷

গতকালই ডয়চে ভেলে প্রকাশ করেছিল #হোকপ্রতিবাদ কর্মসূচির কথা৷ আজ আবার ফেসবুক দেখা যাচ্ছে ‘আলোর মিছিল'৷ গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ড. ইমরান এইচ সরকার, গণজাগরণ মঞ্চ এবং ব্লগার অ্যাক্টিভিস্টদের নেটওয়ার্ক বোয়ান ‘সন্ত্রাসবিরোধী আলোর মিছিল' শিরোনামে একটি ইভেন্টের আয়োজন করেছে৷

ইভেন্টটির ফেসবুক পাতায় লেখা হয়েছে, ‘‘রাজনীতির নামে চলছে হত্যা, নির্যাতন৷ দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষের জীবন৷ পেট্রোলের আগুনে একে একে পুড়িয়ে মারা হয়েছে ২৬টি তাজা প্রাণ৷ আর কতো? আর কতোজন মানুষকে পুড়িয়ে মারা হলে আমরা জেগে উঠবো৷ এই বর্বরতার বিরুদ্ধে মানুষ কি জাগবে না?''

মানুষ পোড়ানোর রাজনীতি নিয়ে ফেসবুকে সরব আরো অনেকে৷ ডয়চে ভেলের দ্য বব্স অ্যাওয়ার্ডজয়ী ব্লগার আরিফ জেবতিক শুক্রবার ফেসবুকে লিখেছেন,

Bangladesch Opfer eines Brandanschlags auf ein Bus in Dhaka 21.01.2015

রাজনীতির নামে চলছে হত্যা, নির্যাতন

‘‘এরশাদের সময় যদি মানুষ পুড়িয়ে আন্দোলন সফল করা লাগত তাহলে ৯ বছরে দেশের অর্ধেক লোকের শরীরে পোড়া দাগ থাকত, বাকি অর্ধেক বেঁচেই থাকত না৷ সে সময়ও গাড়ি ভাঙচুর হয়েছে, পোড়ানো হয়েছে, ককটেল ফুটেছে৷ কিন্তু গাড়ির মানুষকে আগে নামিয়ে দেয়া হয়েছে, ককটেল মারা হয়েছে দেয়ালে – মানুষের শরীরে নয়৷ রাস্তার সাধারণ মানুষ পোড়ানোর বিষয়ে কোনো ‘যদি, কিন্তু' শুনতে চাই না৷ ফুল স্টপ৷''

টানা অবরোধে জনভোগান্তি নিয়ে সরব কথা সাহিত্যিক আনিসুল হকও৷ ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘‘বাসে আগুন দেওয়া বন্ধ করেন৷ বিএনপি নেতারা কি একটা বিবৃতি দেবেন, যাতে তারা যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনাগুলোর নিন্দা করবেন এবং বলবেন, কেউ আসে বাসে আগুন দেবেন না, দিতেও দেবেন না৷? দেশের মানুষকে নিরাপত্তা দেবার দায়িত্ব সরকারের, সরকার কি সেটা মনে রেখেছে?''

সংকলন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়