1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

রাঙিয়ে দিয়ে যাও

বাংলাদেশের পত্রপত্রিকাগুলোয় আজ শিরোনাম থেকে শেষ পাতা পর্যন্ত জুড়ে ক্রিকেট বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান৷ অমর একুশে এত কাছে: স্বদেশ এবং ভাষার প্রতি প্রেম যেন গোটা অনুষ্ঠানটিকে রাঙিয়ে দিয়েছিল৷

default

বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক দেশ বাংলাদেশ, এ'টা যে একটা ঐতিহাসিক মুহূর্ত, সে চেতনা সর্বত্রই৷ ‘ক্রিকেট ইতিহাসে কোনো আয়োজনের সবচেয়ে ঝলমলে উদ্বোধন,' আখ্যা দিয়েছে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম৷ ‘গতসন্ধ্যায় ক্রিকেট বিশ্বের সব রঙ একসঙ্গে মিলেছিল ঢাকাতে... এখন থেকে বিশ্বের যে কোনো জায়গায় দাঁড়িয়ে যে কোনো বাংলাদেশি গর্ব করে বলতে পারবেন - বিশ্বায়নের সঙ্গে আমরাও আছি': লিখছে সমকাল৷ ‘নতুন ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ,' লিখছে ইত্তেফাক৷ গ্যালারিতে ত্রিশ হাজার দর্শক, স্টেডিয়ামের চারপাশে আরো এক লাখ৷ পল্টনে কোনো রাজনৈতিক জনসভায় এমন জনসমুদ্র কেউ দেখেছে কিনা, প্রশ্ন তুলেছেন জনকণ্ঠের প্রতিবেদক৷ লিখছেন: ‘সেখানে তো আদর্শ আর বিশ্বাসে ভাগ হয়েছে বাঙালী৷ কিন্তু গতকালের অনুষ্ঠান তো তা নয়৷ এ যে একখণ্ড বাংলাদেশ৷ না না এ তো ভারত... তাও হলো না, শ্রীলঙ্কা৷ আসলে পুরো ভারতবর্ষ৷'

উপমহাদেশের বিশ্বকাপ

Rikscha Dhaka Bangladesch

‘ঢাকার আদিবাহন’

কিন্তু ঢাকা-চট্টগ্রামেরও বটে৷ নয়তো রিকি পন্টিং, গ্রায়েম স্মিথ'দের - যুগান্তরের ভাষায় - ‘ঢাকার আদিবাহনে চড়ে' বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে হতো না৷ অপরদিকে কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা যে লিখেছে, ‘ক্রিকেট প্রাণশক্তিতে ঢাকাই এ সপ্তাহে বিশ্বক্রিকেটের রাজধানী,' সে উদ্ধৃতি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে স্থান পেয়েছে৷

সমালোচনার রেশ

কালের কণ্ঠে প্রতিবেদক লিখেছেন, ‘প্রযুক্তি আর আধুনিকতা এমন জায়গায় গেছে যে, আজকাল খরচা করলে জমকালো আয়োজন খুবই সম্ভব৷ এবং যারা বেশি খরচ করতে পারে, যারা প্রযুক্তিতে এগিয়ে তারা সব পিলে চমকানো অনুষ্ঠান করে৷ তাই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানগুলোর চেহারার মধ্যে ফারাক বের করা মুশকিল৷' ওদিকে কালের কণ্ঠের আরেক প্রতিবেদক আলাদা করে প্রশ্ন তুলেছেন ‘ভাষার মাসে উর্দু গান' নিয়ে, যেহেতু রুনা লায়লা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ‘মস্ত্ কলন্দর' গানটি গেয়েছেন৷ আর বিশ্বকাপের হিড়িকে বইমেলায় ভিড় কমে গেছে, সেদিন বই বিক্রি কম হয়েছে, এ'খবরও আছে বিভিন্ন সংবাদ-সংস্থা এবং পত্রিকায়৷ শুধু ছড়ালেখক দিলদার হোসেনের ছড়ার বই ‘বিশ্বকাপ, বাপরে বাপ' নাকি ভালো সাড়া পেয়েছে, বলে তিনি জানিয়েছেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে৷

গ্রন্থনা: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: সাগর সরওয়ার

নির্বাচিত প্রতিবেদন